আন্দোলনের (CJP Protest) নামে এ যেন গুন্ডামি! দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র মিছিলে উপস্থিত আড়াই হাজারেরও বেশি দাগি অপরাধী। দিল্লি পুলিশের একটি সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, ছুরি এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর তারা হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ।
দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত সোমবার সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে ‘আরশোলা’দের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। জানা গিয়েছে, সোমবারের মিছিলের পর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে 'ফেস রেকগনিশন সিস্টেম' (এফআরএস) ব্যবস্থা স্থাপন করে। এর মাধ্যমেই গত তিন দিনে আড়াই হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, যারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত। দিল্লি পুলিশের সূত্রের বক্তব্য, মিছিলে তারা ছুরি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল। সেগুলি নিয়েই তারা পুলিশের উপর হামলা চালায়। গোটা ঘটনায় দিল্লি পুলিশ এখন পর্যন্ত মোট ১৫টি এফআইআর দায়ের করেছে।
উল্লেখ্য, নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করে 'ককরোচ'রা। তাঁদের একাধিক দাবি থাকলেও শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি ছিল প্রধান। তাঁদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। ধীরে ধীরে রাজধানীর বুকে এই আন্দোলন বড়সড় বিদ্রোহের রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের অধিকাংশ দাবি মেনে নেয় কেন্দ্র। শনিবার ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্রও। জানা গিয়েছে, নিজের ইস্তফাপত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি।
