সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক আগে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার সুপারিশ করেছিলেন রাজস্থান হাই কোর্টের বিচারপতি মহেশচন্দ্র শর্মা। আর এবার গরুকে ভগবান ও মায়ের সঙ্গে একই আসনে বসিয়ে দিলেন হায়দরাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি বি শিবা শঙ্করা রাও।
[মা ও মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ, অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর ছেলে]
সম্প্রতি তেলেঙ্গানার নালগোন্ডা জেলার কাঞ্চনাপল্লি গ্রামের এক গবাদি পশু ব্যবসায়ীর ৬৩টি গরু ও ২টি মোষ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। অভিযোগ, বকরি ইদে বলি দেওয়ার জন্য চাষীদের কাছ থেকে ওই গবাদি পশুগুলি কিনেছিলেন রামাভত হনুমা নামে ওই গবাদি পশুর ব্যবসায়ী। এরপরই পশুগুলি ফেরত পেতে প্রথমে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হন রামাভত। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হায়দরাবাদ হাই কোর্টে মামলা করেন তিনি। রামভতের আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়ে, হায়দরাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি বি শিবা শঙ্করা রাও বলেন,’ জবাই করার জন্য কেনার অভিযোগে যে গরু ও মোষগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি সেই গবাদি পশুর হেফাজত দাবি করতে পারেন কি? গরুর জাতীয় গুরুত্বের প্রেক্ষিতে এই প্রশ্নের মীমাংসা করা প্রয়োজন। কারণ গরু ভগবান ও মায়ের সমান।’ পাশাপাশি সুস্থ গরুকে অসুস্থ বা অক্ষম বলে ঘোষণা করলে, গো-হত্যা বিরোধী আইনে সংশ্লিষ্ট পশুচিকিৎসকের শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানা সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বি শিবা শঙ্করা রাও। প্রসঙ্গত, অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানায় পশু পশুচিকিৎসক অসুস্থ ও অক্ষম বলে ঘোষণা করার পরই, গরুকে জবাই করা হয়।
[‘দেশরক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর প্রয়োজন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির’]
চলতি মাসের গোড়াতেই গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার সুপারিশ দিয়েছিলেন রাজস্থান হাই কোর্টের বিচারপতি মহেশচন্দ্র শর্মা। নিজের এজলাসে বসে কেন্দ্রকে তিনি পরামর্শ দেন, গরুকে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করুক কেন্দ্র ও গো-হত্যায় দোষী সাব্যস্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হোক।
