shono
Advertisement
Anna Hazare

'এটা গণতন্ত্র, স্বৈরাচার নয়', ধর্মেন্দ্রর ইস্তফা ও 'আরশোলা'দের আন্দোলন থামতেই বার্তা আন্নার

ইউপিএ সরকারের জমানায় দফায় দফায় আন্দোলনের মাধ্যমে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ৮৯ বছরের আন্না হাজারে। সম্প্রতি আরশোলা পার্টির আন্দোলনে নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন তিনি।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:33 PM Jul 26, 2026Updated: 02:51 PM Jul 26, 2026

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ অন্যান্য দাবি পূরণ হতেই আন্দোলনে দাঁড়ি টেনেছে 'ককরোচ জনতা পার্টি'। এই ইস্যুতেই এবার মুখ খুললেন দেশের 'দ্বিতীয় গান্ধী' হিসেবে পরিচিত আন্না হাজারে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে স্বাগত জানিয়ে বললেন, দেশে গণতন্ত্র রয়েছে। তার উপর ভিত্তি করেই নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরা উচিত। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে। হিংসা সমাধানের প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করে।

Advertisement

ইউপিএ সরকারের জমানায় দফায় দফায় আন্দোলনের মাধ্যমে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ৮৯ বছরের আন্না হাজারে। সম্প্রতি আরশোলা পার্টির আন্দোলনে নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, 'উত্তেজনা ও সংঘাত যে কোনও সমাধানের পথকে বিলম্ব করে। ফলে এটা কখনও সমাধানের পথ হতে পারে না। এটা গণতন্ত্র, স্বৈরাচার নয়। আমাদের সর্বদা গণতন্ত্রের পথই অনুসরণ করতে হবে।'

আন্না বলেন, 'আমি আমার জীবনে ২২ বার অনশন করেছি। তবে সেই আন্দোলনে আমি কখনও হিংসার আশ্রয় নেইনি।'

নিজের গান্ধীবাদী আদর্শের কথা তুলে ধরে আন্না আরও বলেন, 'আমি আমার জীবনে ২২ বার অনশন করেছি। তবে সেই আন্দোলনে আমি কখনও হিংসার আশ্রয় নেইনি। এবং এই অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমেই আমি ১০টি আইন পাশ করাতে সক্ষম হয়েছি। ফলে হিংসা কোনও পথ নয়। ব্যক্তি যেই হোক না কেন, তার কখনও হিংসতায় লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। কারণ উত্তেজনা এবং সংঘাত কেবল সমাধানের পথকে বিলম্বিত করে।" এরপর সরকারের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, 'জনগণ কী বলছে তা শোনা সরকারের কাজ। জনগণের কল্যাণের জন্য যদি কোনও পদক্ষেপ নিতে হয়, তাতে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু তা অবশ্যই জনস্বার্থে হতে হবে। সমস্যার সমাধান কখনো সহিংসতার মাধ্যমে হয় না, বরং জনগণের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই হয়।'

উল্লেখ্য যে, আন্না হাজারে এই প্রথমবার গণতন্ত্র ও গান্ধীবাদী আদর্শকে সমর্থন করছেন না। ইউপিএ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে বার বার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি আরশোলাদের আন্দোলন চলাকালীন তিনি সরকারকে বার্তা দিয়েছিলেন, তাঁরা যেন সোনম ওয়াংচুকের ধৈর্যের পরীক্ষা না নেয়। এরপর নিজেও নীরব প্রতিবাদ শুরু করেন। তবে বার্ধক্যের কারণে তাঁকে মাঝপথেই অনশন ত্যাগ করতে হয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement