বছর খানেক আগে আহমেদাবাদে এই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানেই ভয়ংকর দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়েছে দু'শোর বেশি মানুষের। তারপরও নিত্যদিন কোনও না কোনও বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ছে। অথচ এসব নিয়ে চমকপ্রদভাবে উদাসীন এয়ার ইন্ডিয়া। অন্তত ডিজিসিএর অভ্যন্তরীণ তদন্ত তাই বলছে।
ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের তরফে সম্প্রতি এয়ার ইন্ডিয়াকে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরোটাই এই গাফিলতির অভিযোগে। ডিজিসিএ-র অভ্যন্তরীণ তদন্তে যা উঠে এসেছে তা রীতিমতো চাঞ্চল্যকর। জানা গিয়েছে, গত নভেম্বরে পর পর দু'দিন এয়ারওর্দিনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই পরপর আটটি উড়ান পরিষেবা দিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া। মূলত Airbus A320 নামের বিমানটি এয়ারওর্দিনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই দিল্লি, বেঙ্গালুরু, মুম্বই, হায়দরাবাদের মধ্যে মোট আটবার উড়েছে।
এয়ারওর্দিনেস সার্টিফিকেট একপ্রকার বিমানের ফিটনেস সার্টিফিকেট। এই সার্টিফিকেট শুধু সেইসব বিমানকে দেওয়া হয় যেগুলিতে কোনওরকম ত্রুটি নেই। সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে এবং ডিজিসিএর মাপকাঠিতে ওড়ার উপযুক্ত। এই সার্টিফিকেট না থাকার অর্থ বিমাটি ওড়ার মতো অবস্থায় নেই। এ হেন বিমান লাগাতার উড়িয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। সেদিক থেকে দেখতে গেলে কয়েক'শো যাত্রীর জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে টাটাদের অধীনস্থ সংস্থা। সেকারণেই ওই সংস্থাকে ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হল।
এয়ারওর্দিনেস সার্টিফিকেট একপ্রকার বিমানের ফিটনেস সার্টিফিকেট। এই সার্টিফিকেট শুধু সেইসব বিমানকে দেওয়া হয় যেগুলিতে কোনওরকম ত্রুটি নেই। সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে এবং ডিজিসিএর মাপকাঠিতে ওড়ার উপযুক্ত।
দিন কয়েক আগেই একটি বিস্ফোরক রিপোর্ট দিয়েছে ডিজিসিএ। তাতে দেখা গিয়েছে, দেশে যান্ত্রিক ত্রুটির নিরিখে বিমান সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এয়ার ইন্ডিয়ার। সংস্থার পরীক্ষানিরীক্ষা হওয়া ২৬৭টি বিমানের মধ্যে ত্রুটি ধরা পড়েছে ১৯১টিতে। অর্থাৎ, ৭২ শতাংশ। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।
