সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেলফি। জেনারেশন ওয়াইয়ের নয়া ফ্যাশন। সমুদ্রের ধারেই হোক কিংবা রেললাইনে দাঁড়িয়ে, জীবনের তোয়াক্কা না করে সেলফি তোলাটা এখন যেন নেশায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু, তা বলে থানায় বসে পুলিশের টুপি পরে সেলফি! কেরলের এক DYFI কর্মীর কীর্তিতে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশ। ঘটনায় খোদ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। ডেপুটি পুলিশ সুপারকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
[এভারেস্ট জয়ের ভুয়ো দাবি, চাকরি গেল মহারাষ্ট্রের পুলিশ দম্পতির]
বস্তুত, গত রবিবার এক বিজেপি কর্মীকেই মারধরের অভিযোগে কেরলের কুমারাকোম এলাকায় DYFI কর্মী থাইপারাপিল মিঠুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু, থানায় বসেও সেলফি তোলার লোভ সামলাতে পারেননি মিঠুন। সটান এক সাব-ইন্সপেক্টরের টুপি মাথায় পরে পটাপট বেশ কয়েকটি সেলফি তুলে ফেলেন তিনি। হোয়াটসঅ্যাপ করে ছবিগুলি বন্ধুদের পাঠিয়েও দেন। কোনওভাবে ওই DYFI কর্মীর একটি সেলফি পৌঁছে যায় জেলা বিজেপি সভাপতি এন হরির কাছে। তিনিই প্রথম সেলফিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। এরপর স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা সেলফিটি শেয়ার করতে শুরু করেন। মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়ে যায় DYFI কর্মীর পুলিশের টুপি পরা সেলফি। বিজেপি সভাপতি এন হরির অভিযোগ, কেরলের পুলিশকে কী চোখে দেখেন সিপিএম ও DYFI কর্মীরা, এই সেলফি-ই তার প্রমাণ। ঘটনার তদন্তের আরজি জানিয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। ডেপুটি পুলিশকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিরা। তাঁদের দাবি, অন্য কোনও থানায় বসে সেলফিটি তুলেছেন DYFI কর্মী থাইপারাপিল মিঠুন। সেটাও বহুদিন আগে। তবে ঘটনা যাই ঘটুক কেন, DYFI কর্মীর সেলফিকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়েছে বামশাসিত কেরলে।
[ভাইয়ের প্রেমে সাহায্য, অভিযোগে যুবতীকে নগ্ন করে ঘোরানো হল গ্রামে]
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের চেষ্টা-সহ ১৮টি মামলায় অভিযুক্ত থাইপারাপিল মিঠুন। সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের জেলা কমিটিরও সদস্য তিনি। যদিও সেলফি কাণ্ডের পর মিঠুনকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে সিপিএম।
[রাখির অনুষ্ঠানে ছাত্রীদের হেনস্তার অভিযোগ জওয়ানদের বিরুদ্ধে]
The post OMG! থানায় বসে পুলিশের টুপি পরে সেলফি তুললেন DYFI কর্মী! appeared first on Sangbad Pratidin.
