shono
Advertisement

Breaking News

Economic Survey 2026

এবার আরটিআই আইনেও কোপ! বহু তথ্য 'গোপন' রাখতে চায় মোদি সরকার, ইঙ্গিত অর্থনৈতিক সমীক্ষায়

যদিও বিরোধীদের দাবি, RTI আইনে সংশোধনী এনে আসলে তথ্যের অধিকার আইনকেই লঘু করে দিতে চাইছে সরকার।
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:48 AM Jan 30, 2026Updated: 01:42 PM Jan 30, 2026

সরকারি কাজে স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে ইউপিএ আমলে তৈরি আরটিআই তথা তথ্যের অধিকার আইনে কোপ বসাতে চাইছে মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার লোকসভায় পেশ করা অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্টে (Economic Survey 2026) এই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, খুব বেশি তথ্য প্রকাশ প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বাধা তৈরি করছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার আর্থিক সমীক্ষার যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, তাতে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মূল চেতনা অক্ষুণ্ণ রেখেই প্রশাসনিক কাজকর্মে অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে কিছু নির্দিষ্ট নথি ও অভ্যন্তরীণ আলোচনা বা খসড়া প্রস্তাবকে RTI আইনের আওতার বাইরে রাখা যেতে পারে। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আরটিআই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল, স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সেটাকে কোনওভাবেই কারও অহেতুক কৌতূহল নিরসন বা বাইরে থেকে সরকারি কাজকে প্রভাবিত করার অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যায় না।

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আরটিআই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল, স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সেটাকে কোনওভাবেই কারও অহেতুক কৌতূহল নিরসন বা বাইরে থেকে সরকারি কাজকে প্রভাবিত করার অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যায় না।

অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ২০০৫ সালে পাশ হওয়া এই আইনটিকে পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। যেহেতু সব খসড়া বা আলোচনার তথ্যই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত স্বচ্ছতা সরকারি কাজের গতিতে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যে কোনও বিষয়ে আলোচনার সময় সরকারি আধিকারিকরা নিজেদের মতামত খোলাখুলি প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছেন। যে সংশোধনীর প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, তাতে কোনও বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সেই বিষয়ে কী প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কী খসড়া তৈরি হয়েছিল সব গোপন রাখা দরকার। শুধু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আরটিআইয়ের মাধ্যমে জানানো হতে পারে। আবার সরকারি আধিকারিকদের ব্যক্তিগত তথ্য, তাঁদের চাকরিজীবনের রেকর্ড, বদলির ইতিহাস, এসবও গোপন রাখার কথা ভাবা হতে পারে।

যদিও বিরোধীদের দাবি, RTI আইনে সংশোধনী এনে আসলে তথ্যের অধিকার আইনকেই লঘু করে দিতে চাইছে সরকার। এই আইনের যে মূল লক্ষ্য, সেই স্বচ্ছ্বতার সঙ্গেই এখানে আপস করা হচ্ছে। নতুন নিয়মের ফলে তথ্য জানার অধিকারে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে এখনই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement