নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বৈঠক নিয়ে মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন। সাফ জানানো হয়েছে, এসআইআরে কারও হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। মমতার অভিযোগ নসাৎ করে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, "কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রকাশ্যে ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। ইআরও (এসডিও/বিডিও)-দের অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে।"
দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি মমতা
ঠিক কী জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে AITC প্রতিনিধিদল আজ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে। এসআইআর নিয়ে কিছু বক্তব্য তুলে ধরেন তাঁরা। জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেন এবং ব্যাখ্যা করেন। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে বা আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।" সেখানেই মমতার অভিযোগ নসাৎ করে কমিশন পালটা অভিযোগ করে, তৃণমূল বিধায়করা কমিশনের বিরুদ্ধে এবং বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষা প্রয়োগ করছেন, হুমকি দিচ্ছেন। বিডিও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের উপর কোনও চাপ, বাধা বা হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। সেখানেই আরও জানানো হয়েছে, বিএলওদের ১৮ হাজার টাকা মধ্যে ইতিমধ্যেই ৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে AITC প্রতিনিধিদল আজ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে। এসআইআর নিয়ে কিছু বক্তব্য তুলে ধরেন তাঁরা। জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেন এবং ব্যাখ্যা করেন। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে বা আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।"
পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই তিনজন নির্বাচনী তালিকা পর্যবেক্ষককে বদলি করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ২৭.০১.২০২৬ তারিখে বদলি আদেশ বাতিলের জন্য অনুরোধ করেছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়া সরকার চারজন কর্মকর্তার (দুইজন ইআরও এবং দুইজন এইআরও) এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে বলেছিল, তাও করা হয়নি বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এদিন জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁদের সঙ্গে দু্র্ব্যবহার করা হয়েছে। জমিদারি আচরণের অভিযোগও তোলেন তিনি।
