shono
Advertisement
Bihar

সাতসকালে এনকাউন্টার বিহারে, পুলিশের গুলিতে খতম প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ভাগ্নের 'হত্যাকারী'

দু'দিন আগে হত্যাকাণ্ডে যুক্ত অন্যতম অভিযুক্ত ছটুর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। একইভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা হলে পালটা গুলি চালাতে শুরু করে আততায়ী। জবাবি হামলায় আহত হয় ছটু।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:45 PM May 03, 2026Updated: 02:45 PM May 03, 2026

সাতসকালে এনকাউন্টার বিহারের সিওয়ানে। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মনোজ সিংয়ের ভাগ্নে হর্ষ সিং হত্যায় মূল অভিযুক্ত সোনু যাদবের। অভিযুক্ত সোনুর মাথার দাম ছিল ২৫০০০ টাকা। দিন দুয়েক আগে এই হত্যাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তথা সোনুর সঙ্গী ছটু যাদবের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। গুলিতে আহত হওয়ার পর গ্রেপ্তার করা হয় ছটুকে। এবার খতম মূল অভিযুক্ত।

Advertisement

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত ২৯ এপ্রিল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ভাগ্নেকে গুলি করে হত্যা করেছিল দুষ্কৃতীরা। এঁরা দুজন গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় একটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় একদল যুবকের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই বচসা থেকেই এক উড়ালপুলের সামনে গাড়িটিকে প্রথমে ধাক্কা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হর্ষের। গুরুতর জখম হন তার বাবা চন্দন সিং। ঘটনার ভিডিও সামনে আসে। যেখানে দেখা যায়, গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে আততায়ীরা। এরপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে কোমর বেঁধে নামে পুলিশ।

অভিযুক্ত সোনুর মাথার দাম ছিল ২৫০০০ টাকা। দিন দুয়েক আগে এই হত্যাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তথা সোনুর সঙ্গী ছটু যাদবের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে বেশ কয়েকটি দল গঠন করে শুরু হয় অভিযান। সম্প্রতি খবর আসে, সরেয়া গ্রামে ঘাঁটি গেড়েছে সোনু। রবিবার ভোরে পুলিশ সেখানে পৌঁছলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্ত। পালটা জবাব দেয় পুলিশও । বেশকিছুক্ষণ দু'পক্ষের গুলির লড়াইয়ের পর গুরুতর জখম হন সোনু। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার দু'দিন আগে হত্যাকাণ্ডে যুক্ত অন্যতম অভিযুক্ত ছটুর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। একইভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা হলে পালটা গুলি চালাতে শুরু করে আততায়ী। জবাবি হামলায় আহত হয় ছটু। আঘাত গুরুতর না হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাণে বেঁচে যায় অভিযুক্ত। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement