বেঙ্গালুরু সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কনভয় রুটে উদ্ধার হয়েছিল ভয়ংকর বিস্ফোরক সামগ্রী জিলেটিন স্টিক। নিরাপত্তায় গাফিলতির সেই ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপ। বেঙ্গালুরুর পুলিশ সুপারের তরফে সাসপেন্ড করা হল ৬ জন পুলিশকর্মীকে। ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বরখাস্তের নির্দেশ বহাল থাকবে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১০ মে। বেঙ্গালুরুতে আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এই যাত্রাপথে কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি জিলেটিন স্টিক। জানা যায়, মোদি ওই পথে যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে সন্দেহজনক একটি ফোনকল আসে। তার ভিত্তিতেই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। সেই সময় রাস্তার ধার থেকেই উদ্ধার হয় জিলেটিন স্টিকগুলি। মোদির কনভয়ে বিস্ফোরক উদ্ধারের মতো ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা দেশে। হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। জানা যায়, যেখানে জিলেটিন স্টিক দুটি পাওয়া গিয়েছিল সেখান থেকে অনুষ্ঠানস্থল ছিল মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১০ মে। বেঙ্গালুরুতে আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এই যাত্রাপথে কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি জিলেটিন স্টিক।
খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। প্রাথমিক তদন্তের পর অবশেষে ওই ৬ পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হল বেঙ্গালুরুর পুলিশ সুপারের তরফে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ৬ জন পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে বরখাস্তের নির্দেশ বহাল থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের কাছে বিস্ফোরক কীভাবে পৌঁছালো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করার কোনও ইচ্ছাকৃত চেষ্টা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে মোদির নিরাপত্তায় গাফিলতির ঘটনায় কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি তথা বিধায়ক বি ওয়াই বিজয়েন্দ্র এই ঘটনাকে 'ক্ষমার অযোগ্য ও নিরাপত্তার গুরুতর অবহেলা' বলে অভিযোগ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'কর্নাটকে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে। দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় সামান্যতম গাফিলতিও থাকা উচিত নয়, তাঁকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়াই রীতি। সেখানে যাদের গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটল তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।'
