সংবাদ প্রতিদিন ডিজিয়াল ডেস্ক: যে ইস্যুতে দল ছেড়েছিলেন, সেই গো-মাংস খেয়েই মোদি সরকারের তিন বছর পূর্তি উদযাপনে মাতলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন বিজেপি নেতারা। ভাত থেকে তৈরি দেশি বিয়ার আর গো-মাংস। মেঘালায়ের তুরায় বিচি-বিফ ফেস্ট করে ফের বিতর্কে বাচু, বার্নার্ড মারাকরা। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রের গবাদি পশু নির্দেশিকার প্রতিবাদে দল ছেড়েছিলেন বাচু মারাক, বার্নার্ড মারাক এবং উইলভার গ্রাহাম ডাংগো। কিন্তু দলত্যাগ করলেও বিজেপির ক্ষমতায় আসার তিন বছর পূর্তিতে মেতেছিলেন তাঁরা। তাই এই বিচি-বিফ ফেস্টের আয়োজন করেন এই তিন দলত্যাগী নেতা। যখন দলে ছিলেন তখনই এমন ফেস্ট আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি মেলেনি। তারপরেই দল ছাড়েন তাঁরা। মেঘালয়ের অধিকাংশ মানুষেরই গো-মাংস প্রিয় খাদ্য। তার উপর কেন্দ্রের এমন নিষেধাজ্ঞা আনার প্রতিবাদেই দল ছাড়েন তাঁরা। শেষপর্যন্ত দল ছাড়লেও নিজেদের ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত করেছেন তাঁরা। বিফ ফেস্ট করেই ছেড়েছেন। শনিবারই তাঁরা এই বিচি-বিফ ফেস্ট আয়োজন করেন। বিচি শব্দের মানে গারো ভাষায় ভাত পচিয়ে বিয়ার।
[শিবরাজের অনশনের জবাবে কংগ্রেসের সত্যাগ্রহ, নেতৃত্বে জ্যোতিরাদিত্য]
প্রসঙ্গত, গারো খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওই তিন নেতাদের বক্তব্য ছিল, তাঁদের জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস বদলানোর চেষ্টা যে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, তা প্রমাণ করতে এই ফেস্টের আয়োজন। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই বিফ ফেস্টে বেশিরভাগ প্রাক্তন বিজেপিকর্মীরাই যোগ দেন। তাঁদেরও আপত্তি সেই গবাদি পশু নির্দেশিকায়। এই গো-মাংস ইস্যুতে গারো পাহাড় অঞ্চলে প্রায় ৫০০০-এরও বেশি বিজেপি কর্মী দল ছেড়েছেন। ৬০ আসন বিশিষ্ট মেঘালয় বিধানসভায় ২৪টি আসন বিজেপির দখলে। বহু দলীয় নেতা-কর্মীই বিজেপি ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্দেশিকার প্রতিবাদে। তবে যেভাবে দল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে মেঘালয়ে, তাতে কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের।
[১ জুলাই থেকে আয়কর রিটার্ন, নয়া প্যান কার্ডে বাধ্যতামূলক আধার]
The post গো-মাংস খেয়েই প্রতিবাদ জানালেন মেঘালয়ের প্রাক্তন বিজেপি নেতারা appeared first on Sangbad Pratidin.
