shono
Advertisement
Four states Election Counting

বাংলা ছাড়াও সোমে চার বিধানসভার গণনা, কংগ্রেস না বিজেপি? কার আশা বেশি?

বাংলার বাইরে চার রাজ্য থেকে কংগ্রেসের যতটা আশা, সে তুলনায় বিজেপির আশা বা সম্ভাবনা দুটোই খানিকটা কম। বাংলার বাইরে কোন রাজ্য নিয়ে কী ভাবছে হাত ও গেরুয়া শিবির?
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:44 PM May 03, 2026Updated: 09:44 PM May 03, 2026

ভোটবাক্সে বন্দি জনতার রায়। বাংলায় কী হয়, কী হয়, জল্পনা সর্বত্র। অবশ্য সোমে ফলঘোষণা শুধু বাংলার নয়। আরও চার বিধানসভার। অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির। সঙ্গে বেশ কিছু উপনির্বাচনেরও। প্রতিটি নির্বাচনই আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিভাবেই ফল ঘোষণার আগে কংগ্রেস ও বিজেপি, দুই শিবির যোগবিয়োগের হিসাবে কষছে।

Advertisement

চার রাজ্যের মধ্যে বিজেপির সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্যই রয়েছে বাংলায়। এ রাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে পারলে পূর্ব ভারতেও একচ্ছত্র শাসন কায়েম করার স্বপ্নে মশগুল গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে গোটা ইন্ডিয়া জোট নিশ্চিত, বঙ্গে ফিরবেন মমতাই। এমনকী যে কংগ্রেস ভোটের সময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর প্রচার চালিয়েছে, তারাও জয় চাইছে রাজ্যের শাসকদলেরই। হাত শিবিরের আশা, যদি নিজেরা গুটিকয়েক আসন পেয়ে প্রাসঙ্গিক থাকা যায়। দরকার পড়লে মমতার পাশে দাঁড়াতে তাদের আপত্তি নেই।

অসমে জয় নিয়ে বিজেপি নিশ্চিত। তাদের দেখার বিষয় একটাই। এই প্রথমবার সেরাজ্যে স্রেফ একার ক্ষমতায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া যায় কিনা। অসম নিয়ে বিশেষ আশা করছে না কংগ্রেসও। হাত শিবিরের অন্দরের খবর, তারা চাইছে আগের চেয়ে অন্তত কিছু আসন বাড়িয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নিজেদের গুরুত্ব বৃদ্ধি করে নিতে। সেই সঙ্গে ২০২৯ সাল এবং ২০৩১ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জমি তৈরি করা। মূলত সেই উদ্দেশ্যেই অসমে কংগ্রেসের মুখ করা হয়েছে গৌরব গগৈকে।

গৌরব গগৈ। ফাইল ছবি।

কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় আশার জায়গা কেরল। হাত শিবিরের বিশ্বাস, এবার দক্ষিণের ওই রাজ্যে পালাবদল হবে। কেরল দখল করতে পারলে দক্ষিণ ভারতকে আবার নিজেদের দুর্গ বানিয়ে ফেলতে পারবেন রাহুল গান্ধীরা। কারণ, হাত শিবিরের ভোট ম্যানেজাররা নিশ্চিত তামিলনাড়ুতে যে-ই সরকারে আসুক, তাদের ছাড়া সরকার চালাতে পারবে না। সেটা স্ট্যালিন হোন বা টিভিকের থলপতি বিজয়। কংগ্রেস নিশ্চিত যে এআইএডিএমকে বা বিজেপির বিশেষ সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে কর্নাটক, কেরল, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস বা জোটের সরকার হতে পারে। এমনকী পুদুচেরিতেও এবার পালাবদলের ব্যাপারে আশাবাদী হাত শিবির। তাদের ধারণা ওই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিতেও এবার বদল হবে। যদিও বিভিন্ন এক্সিট পোলে পুদুচেরিতে পালাবদলের কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি আশায় পুদুচেরিতে তাদের জোটসঙ্গীরাই ফের মসনদে বসবে। কেরলে গেরুয়া শিবির কিংমেকার হতে চাইছে। আর তামিলনাড়ু বিধানসভা যদি ত্রিশঙ্কু হয়, তাহলে তাঁরা সেখানেও সরকার গড়ার চেষ্টা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে দক্ষিণের রাজ্যগুলিকে বিজেপি এমনিও গুণতির খাতায় রাখেনি। সেখান থেকে যা পাওয়া যায়, সেটাকেই লাভের খাতায় ধরছে বিজেপি। 

মোদি-স্ট্যালিন। ফাইল ছবি।

সব মিলিয়ে বাংলার বাইরে চার রাজ্য থেকে কংগ্রেসের যতটা আশা, সে তুলনায় বিজেপির আশা বা সম্ভাবনা দুটোই খানিকটা কম। কংগ্রেসের হাতে এই মুহূর্তে ৩ জন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। আরও দুই রাজ্যে হাত শিবির জোটে। এই ভোটের পর সব মিলিয়ে অন্তত পাঁচটি রাজ্যে নিজেদের মুখ্যমন্ত্রী বসানো এবং আরও ৩ রাজ্যে সরকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী হাত শিবির। অন্যদিকে বিজেপির যাবতীয় আশা বাংলা এবং অসমকে ঘিরে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement