'ফুড সেফটি অ্যান্ড স্টেটস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া' নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় সম্প্রতি চর্চা বেড়ে চলেছে। সংস্থার এক মহিলা আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, জাল তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। এবং এমন কয়েকটি নথি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়ে গিয়েছে। আর এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলার 'অপরাধে' কয়েকজন সমাজকর্মীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের কার হয়েছে বলে অভিযোগ!
গত ১ এপ্রিল দিল্লি পুলিশ এক্স হ্যান্ডলে জানায়, এই অভিযোগ তোলা হয়েছে যে সব হ্যান্ডল থেকে তাদের উদ্দেশ্যই ছিল ওই মহিলাকে বদনাম করা ও তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করা। সেই সব ইউজারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়! এক ইউজার লিখেছেন, 'দিল্লি পুলিশ আমার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। আমি এফএসএসএআই ইস্যু নিয়ে লিখেছিলাম। আমি ওই সংক্রান্ত পোস্ট তো বটেই, সেই সঙ্গেই অন্য আরও পোস্ট ডিলিট করেছি। আমার জীবনে আরও অনেক কিছু আছে। ভবিষ্যতে আমি নিশ্চুপ থাকব। আমি এই ধরনের চাপ আর নিতে পারছি না।' আরেকজন লিখেছেন, 'দিল্লি পুলিশ আমার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে, কেননা আমি এফএসএসএআই-এর দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেছিলাম। বাহ!' প্রশ্ন উঠছে, যে মাধ্যমে তথ্যটি প্রকাশ্যে এসেছে, সেই মাধ্যমটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পরিবর্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যাচাই করা এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের উপরই কি গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়!
গত ১ এপ্রিল দিল্লি পুলিশ এক্স হ্যান্ডলে জানায়, এই অভিযোগ তোলা হয়েছে যে সব হ্যান্ডল থেকে তাদের উদ্দেশ্যই ছিল ওই মহিলাকে বদনাম করা ও তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করা। সেই সব ইউজারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়!
খুরপেঞ্চ নামের এক সমাজকর্মী দাবি করেছেন, এফএসএসএআই তাদের রিপোর্টে পাঁচ থেকে ছ'জনের নাম রেখেছে। এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ভুয়ো তথ্য (যার মধ্যে রয়েছে নকল অভিজ্ঞতা পত্র) দিয়ে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ রয়েছে। এমনকী, কারও কারও ওই পদে চাকরির যোগ্যতাই নেই। এই সব রিপোর্ট খতিয়ে দেখেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরা। কিন্তু কারও বিরুদ্ধেই কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তবে সমাজকর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।
এদিকে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সুরাটের বাজারে ছেয়ে যাওয়া নকল পনিরের ভিডিও। জানা গিয়েছে, শিল্পজাত অ্যাসিড-সহ নানা উপাদান মিশিয়ে দৈনিক ৪০০ কেজি নকল পনির ওখানকার বাজারে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে গত দু'বছর ধরে। এই নিয়ে এফএসএসএআই কেন পদক্ষেপ করছে না, তা নিয়ে প্রশ্নের মাঝেই তৈরি হল নয়া বিতর্ক!
