হরমুজ মুক্ত করতে ইরানকে সোমবার অবধি সময় দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নচেত হামলা চালাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতোই মঙ্গলবার খার্গ দ্বীপে ভয়ংকর হামলা হয়েছে বলে খবর (US-Iran Conflict)। পাশাপাশি ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি ব্রিজ ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকার বায়ুসেনা। এর ফলে সংঘর্ষবিরতি বিশ বাঁও জলে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আজ রাতেই ধ্বংস হবে ইরান সভ্যতা।
উল্লেখ্য, ইরানের হরমুজ উন্মুক্ত করার উপরেই নির্ভর করছিল যুদ্ধবিরতি। এই বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি গররাজি হলে খার্গ দ্বীপ, ইরনের সেতুগুলি, এমনকী বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। যদিও 'বিশ্বের তেলের ধমনী' উন্মুক্ত করার বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখায়নি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশ। উলটে ওয়াশিংটনকে খোঁচা দিয়ে জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের মতো বন্ধু দেশগুলি ছাড়া বাকিদের জন্য নিরাপদ হরমুজ। এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপের ৫০টি সেনাঘাঁটিতে এবং ইরানে মার্কিন সেনার হামলায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হল বলা বাহুল্য।
অন্যদিকে ট্রাম্প একধিকবার খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়ে দখল করার হুমকি দিয়েছেন। এর মধ্যেই ৩০ মার্চ ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, "আমরা ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলের খনি, জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং খার্গ দ্বীপে হামলা চালাব। দ্বীপটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে যুদ্ধে ইতি টানব।" যোগ করেন, মার্কিন শর্তে রাজি না হলে ইরানকে বড় মূল্য দিতে হবে। সেই মতো শুরু হল ভয়ংকর হামলা।
