সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। জোরকদমে চলছে উদ্ধার কাজ। ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার করতে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ শুরু করেছে সেনাও। ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের আরজি, এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে রাজনীতি করবেন না। গোটা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হবে।
সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের খবর অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৩৮। আহত হয়েছেন অন্তত ৯০০ জন। বালেশ্বরজুড়ে এখন শুধুই স্বজনহারার হাহাকার। এদিন রেলমন্ত্রী জানান, “এটা ভয়ংকর মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রেল, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং রাজ্য সরকার একযোগে উদ্ধার অভিযানে নেমেছে। যাবতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে আপাতত যাত্রীদের উদ্ধার কাজের উপরই জোর দেওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: পাখির চোখ পঞ্চায়েত, আগামী সপ্তাহেই বঙ্গ সফরে মোদি, করবেন জনসভাও]
দক্ষিণ-পূর্ব রেলসূত্রে খবর, হামসফরের দু’টি কামরা লাইনচ্যুত হওয়ার কারণেই এতবড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় করমণ্ডল এক্সপ্রেসকে। তবে সেই কামরা দুটি কীভাবে লাইনচ্যুত হল, তা খতিয়ে দেখবে উচ্চপর্যায়ের ওই কমিটি। কিন্তু অত্যাধুনিক LHB কোচ হওয়া সত্ত্বেও দুর্ঘটনার ভয়াবহতা এত তীব্র কীভাবে হল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আপাতত ওই রুটের পুরী, চেন্নাইগামী এক্সপ্রেস-সহ একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বেশ কিছু ট্রেনের রুট বদলে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাতেই দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ২ লক্ষ এবং তুলনামূলক কম আঘাত প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হবে।