সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনুপ্রবেশের জন্য জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয়েছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিচ্ছে বহিরাগত হানাদাররা! অনুপ্রবেশকারীরা ভারতবাসীর মুখের গ্রাস কেড়ে নিচ্ছে। স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে আশঙ্কার কথা শোনালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই 'দেশ বাঁচাতে' এবার 'ভিশন ডেমোগ্রাফি' মিশনের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, বিহারে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষাকে (এসআইআর) কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতি উত্তাল। মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। বাদ পড়েছে ৫৬ লক্ষ ভোটারের নাম। পশ্চিমবঙ্গেও এসআইআরে সবুজ সংকেত দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিজেপির কথায়, ভোটার তালিকায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে। তাদের খুঁজে বের করতেই এই প্রক্রিয়া। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জমি হাতিয়ে নিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা (ল্যান্ড জেহাদ) বলে অভিযযোগ গেরুয়া শিবিরের। এদিন কার্যত সেই কথাই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর মুখে।
ল্যান্ড জেহাদ কী?
ওয়াকফের নামে সম্পত্তি অধিগ্রহণ এবং ভুলিয়ে-ভালিয়ে আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করছে বিজেপি। শুধু তাই নয়, অসম এবং ঝাড়খণ্ডে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে বসতি গড়েছে অনুপ্রবেশকারীরা বলেও অভিযোগ। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, ‘হিন্দু আদিবাসী’ বনাম ‘খ্রিস্টান আদিবাসী’, মুসলমান ‘দিকু’ অর্থাৎ ‘বহিরাগত’ তত্ত্বে তরজা নতুন কিছু নয়।
প্রধানমন্ত্রী এদিন বললেন, "রীতিমতো ষড়যন্ত্র করে ভারতের জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।" আর তাতে অতীতের সরকারগুলিরও যে ভূমিকা রয়েছে, কৌশলে সে অভিযোগও করতে শোনা গিয়েছে মোদিকে। প্রধানমন্ত্রী এদিন স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, জনবিন্যাস বদলানোর এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই 'ভিশন ডেমোগ্রাফি' শুরু করছে ভারত সরকার।
