সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নয়াদিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক যুদ্ধে ইসলামবাদের বড় ধাক্কা। কাশ্মীরে ঝিলম এবং চেনাবের উপনদীর উপর ভারতকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প করার অনুমতি দিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এই প্রকল্প নিয়ে নওয়াজ শরিফ বাগড়া দিতে চেয়েছিলেন।পাকিস্তানের বাধা উড়িয়ে বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়ে দিল, এই দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করতে ভারতের আর কোনও অসুবিধা নেই। তবে ১৯৬০ সালের সিন্ধু জল চুক্তি মেনে কাজ করতে হবে।
[আপনি কি ভার্জিন? ফর্মে ‘আপত্তিজনক’ প্রশ্ন ঘিরে বিক্ষোভ]
কাশ্মীরের ঝিলম ও চেনাব নদীর উপর কিষানগঙ্গা ও রাটলে নামে দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে ভারত। কিন্তু, ১৯৬০ সালে সিন্ধু জল বন্টন চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে এই দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, যেভাবে চেনাব ও ঝিলম নদীতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করছে নয়াদিল্লি, তা সিন্ধু জলবন্টন চুক্তির পরিপন্থী। প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে বিশ্ব ব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি হয়। শুধু মধ্যস্থতা করাই নয়, বিশ্ব ব্যাঙ্ক এই সিন্ধু জলবন্টন চুক্তির অন্যতম স্বাক্ষরকারীও বটে। তাই চেনাব ও ঝিলম নদীর উপর জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশ্ব ব্যাঙ্কের দ্বারস্থ হয় ভারত ও পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি ছিল, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কোর্ট অব আর্বিট্রেশন তৈরি করে হোক। অন্যদিকে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করার দাবি তোলে ভারত।
[ভিন ধর্মের যুবতীর সঙ্গে প্রেম, যুবককে নগ্ন করে গণপিটুনি স্থানীয়দের]
বুধবার বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, সিন্ধু জলবন্টন চুক্তিতে ঝিলম ও চেনাব, এমনকী সিন্ধু নদীকেও ‘পশ্চিমী নদী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এই তিনটি নদীর জল ব্যবহার করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের উপর কোনও বিধি নিষেধ নেই। তাই ভারত যদি চেনাব ও ঝিলম নদীর উপর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করতে চায়, তাহলে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তির শর্ত মেনেই করতে হবে। এদিকে, এই দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সচিব পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের তরফে বলা হয়েছে, বৈঠক ইতিবাচক। আগামী সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটনে ফের এ বিষয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান।
[কমল রেপো রেট, সস্তা হতে চলেছে গৃহ-গাড়ি ঋণ]
The post কিষাণগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বাধা নেই, জানিয়ে দিল বিশ্বব্যাঙ্ক appeared first on Sangbad Pratidin.
