সিলিকন, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তিতে চিনা নিয়ন্ত্রণ কমাতে ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট তৈরি করেছে আমেরিকা। জানুয়ারি মাসেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জানিয়েছিলেন, এই জোটে ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। বাস্তবেও তাই ঘটল। ভারত আনুষ্ঠানিক ভাবে জুড়ে গেল আমেরিকা নেতৃত্বাধীন এই জোটে। শুক্রবার নয়াদিল্লির এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ‘প্যাক্স সিলিকা’ ঘোষণাপত্রে সই করল ভারত। চুক্তি স্বাক্ষরের পর কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে উপকৃত হবে ভারতের যুবসমাজ।
সিলিকন, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তিতে একটি দেশের উপর নির্ভরতা কমাতে ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট তৈরি করেছে ওয়াশিংটন। মূলত চিনা নিয়ন্ত্রণ কমাতেই এই জোট। আমেরিকা ছাড়াও এই জোটে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়া। মূলত বিরল খনিজ এবং এআই-এর সরবরাহ শৃঙ্খলকে প্রসারিত করতেই এই উদ্যোগ। প্রযুক্তিও এখন বিশ্বের নিয়ন্ত্রক। বিশ্বজুড়ে তার ভারসাম্য রক্ষা করতে 'প্যাক্স সিলিকা' জোট গড়া হয়েছে বলে দাবি আমেরিকার। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েন মিটতেই ভারতকে এই জোটের অংশ করল ওয়াশিংটন।
'প্যাক্স সিলিকা' জোটের চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে, দেশগুলি অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করবে একে অপরকে। কাঁচামাল সরবরাহ, সেমিকন্ডাক্টর এবং এআই পরিকঠামো গড়ার বিষয়ে কাজ করবে এই জোট। এই বিষয়ে মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘ভারত ‘প্যাক্স সিলিকা’র অংশ হয়েছে উঠল। এর ফলে ভারতের বৈদ্যুতিন এবং সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রের উন্নতি হবে। ভারতে ইতিমধ্যেই সেমিকন্ডার প্লান্ট তৈরি হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। ‘প্যাক্স সিলিকা’ এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। উপকৃত হবে ভারতের যুবসমাজ।’’
