shono
Advertisement

Breaking News

Iran War

হরমুজে মহাসংকট, ইরান শান্তি বৈঠক বয়কট করতেই ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম, ভারতে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা!

সাম্প্রতিক পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে এশিয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫.৩৭ শতাংশ বেড়ে ৯৫.২৩ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম প্রায় ৬.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮৮.৯৮ ডলার। অপরিশোধিতি তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে খুব শীঘ্রই ব্যারেল পিছু জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার পেরিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 12:54 PM Apr 20, 2026Updated: 12:58 PM Apr 20, 2026

ইরান দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক বয়কট করতেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। এর জেরে ফের লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু পৌঁছে গিয়েছে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি যদি বেশিদিন স্থায়ী হয়, তাহলে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিমান ও যানবাহন ভাড়া ব্যাপকভাবে বাড়বে। এর ফলে দেখা দেবে মুদ্রাস্ফীতি।

Advertisement

সাম্প্রতিক পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে এশিয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫.৩৭ শতাংশ বেড়ে ৯৫.২৩ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম প্রায় ৬.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮৮.৯৮ ডলার। অপরিশোধিতি তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে খুব শীঘ্রই ব্যারেল পিছু জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার পেরিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত মাসে যুদ্ধের আগুনে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১১০ ডলার পার করে। তারপর সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং শর্তসাপেক্ষে হরমুজ খুলে যাওয়ায় তেলের দাম হ্রাস পায়। কিন্তু বর্তমানে ফের হরমুজ বন্ধ করেছে ইরান। তার উপর ভেস্তে গিয়েছে দ্বিতীয় দফার আলোচনার পরিস্থিতি। এই অবস্থায় ফের ঊর্ধ্বমুখী অপরিশোধিত তেলের দাম।  

এশিয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫.৩৭ শতাংশ বেড়ে ৯৫.২৩ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম প্রায় ৬.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮৮.৯৮ ডলার।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃৃদ্ধিতে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতে। দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই ভারতকে আমদানি করতে হয়। ফলে তেলের দামের এই বৃদ্ধি সরাসরি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেলের দাম বাড়লে তেল বিপণন সংস্থাগুলি পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ তৈরি করবে। ফলে ব্যয়বহুল হবে পরিবহণ ক্ষেত্র। বিমান ও পণ্য পরিবহণের খরচ বাড়বে। দেশের সমস্ত ক্ষেত্রের পাশাপাশি রং, টায়ার, রাসায়নিক কারখানাতেও এর সরাসরি প্রভাব পড়বে। উৎপাদনের খরচ বাড়লে তা সাধারণ মানুষের উপর চাপাতে বাধ্য হবে সংস্থাগুলি। যার জেরে মুদ্রাস্ফীতি গুরুতর আকার নিতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement