shono
Advertisement
Gujarat

দিল্লি থেকে গুজরাটে বিপুল টাকা পাচার! এবার হাওয়ালার অভিযোগে বিদ্ধ কেজরির দল

গুজরাট নির্বাচনে বিরাট এই আর্থিক কারচুপি নজরে আসতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। স্থানীয় একটি গ্রামের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে তারা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 01:12 PM Apr 20, 2026Updated: 01:12 PM Apr 20, 2026

ফের গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। গুজরাট পুরসভা নির্বাচনে দিল্লি থেকে হাওয়ালার মাধ্যমে বিপুল টাকা পাঠানোর অভিযোগ উঠল আপের বিরুদ্ধে। এই মামলায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে গুজরাট পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত আপের তরফে এই বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি।

Advertisement

পুরসভা নির্বাচন উপলক্ষে গুজরাটে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে আম আদমি পার্টি। সেই নির্বাচনে প্রচারের জন্য দিল্লি থেকে সুরাটে হাওয়ালার মাধ্যমে ১.২ কোটি টাকা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে আপের বিরুদ্ধে। গুজরাট পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এই টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাঠিয়েছেন দিল্লির ব্যবসায়ী হিমাংশু পাহুজা। গুজরাটে সেই টাকা গ্রহণ করেন আপের এক কর্মী আকাশ মিশ্র ও অজয় তিওয়ারি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডিসিপি ভবেশ রোজিয়া বলেন, এই লেনদেন সম্পর্কে গোপন তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও উমরা থানার পুলিশ। সব টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

দিল্লি থেকে যিনি এই টাকা পাঠিয়েছেন সেই ব্যবসায়ী হিমাংশু পাহুজা শীর্ষ আপ নেতা সুরেন্দ্র ভরদ্বাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ডিসিপি আরও বলেন, ''আমরা আকাশ মিশ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে এই টাকা সুরাটে নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করার কথা ছিল। এই নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগে আমাদের নজরে রয়েছেন আঙ্গাদিয়ার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী-সহ মোট ১০ জন সন্দেহভাজন।" পুলিশের আরও দাবি, দিল্লি থেকে যিনি এই টাকা পাঠিয়েছেন সেই ব্যবসায়ী হিমাংশু পাহুজা শীর্ষ আপ নেতা সুরেন্দ্র ভরদ্বাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পাহুজা একটা সময় কংগ্রেসের ছিলেন বর্তমানে আপের ঘনিষ্ঠ। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তার হওয়া আকাশ মিশ্র আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনের প্রাক্তন পিএ (ব্যক্তিগত সহকারী) বলে দাবি করা হচ্ছে। এর আগেও তিনি এভাবে টাকা গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া অজয় তিওয়ারি এই অবৈধ টাকা বিতরণ ও ব্যবস্থাপণায় সহায়তা করতেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

গুজরাট নির্বাচনে বিরাট এই আর্থিক কারচুপি নজরে আসতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। স্থানীয় একটি গ্রামের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে তারা। যেখানে বেশ কয়েকজনকে বসে টাকা গুনতে দেখা গিয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের নির্দেশে এই টাকা দিল্লি থেকে সুরাটে পাঠানো হয়েছিল এবং তা নির্বাচনে ব্যবহার করার কথা ছিল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement