shono
Advertisement
Jaipur

সরকারি চাকরি পেতে কেবল মা নয়, বাবাকেও খুন করেছেন জয়পুরের তরুণী! চাঞ্চল্য তদন্তে

তরুণীর কাকা এবং খুড়তুতো ভাইয়ের বিরুদ্ধেও রয়েছে খুনের চক্রান্তে জড়িত থাকার অভিযোগ।
Published By: Biswadip DeyPosted: 11:12 AM Jul 11, 2026Updated: 11:12 AM Jul 11, 2026

সরকারি চাকরি-সম্পত্তির লোভে নিজের মা’কেই খুনের অভিযোগ উঠেছিল মেয়ের বিরুদ্ধে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল, বাবার মৃত্যুর পরই সেই চাকরি মা পেয়ে যাওয়ার পরই তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করেন ২৩ বছরের আরুশি। কিন্তু তদন্ত এগতেই থ তদন্তকারীরা। আপাতত তদন্ত যেদিকে এগচ্ছে, তাতে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, মায়ের আগে বাবাকেও খুনের নেপথ্যে ছিলেন তরুণীও! তেমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

রাজস্থানের জয়পুরে থাকতেন নীরজ শর্মা। তিনি জয়পুরের একটি আদালতে লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক (এলডিসি) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ জুলাই প্রতাপ নগর এলাকায় তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তদন্তে নেমে পুলিশের দাবি, আয়ুশি তাঁর কাকা এবং খুড়তুতো ভাইয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এক ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করেছিলেন। এরপরই ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা মাফিক নীরজকে হত্যা করা হয়। খুনের 'মোটিভ' খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, আয়ুশির বাবা সরকারি চাকরি করতেন। সেই চাকরটি আয়ুশি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চাকরিটি নেন তাঁর মা। তারপরই দু’জনের মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে। আর তাই পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে সাঁট বেঁধে শেষপর্যন্ত এই ঘৃণ্য চক্রান্তে শামিল হন আয়ুশি, এমনটাই দাবি পুলিশের। কেবল চাকরি নয়, সম্পত্তিও ছিল নজরে।

কিন্তু তদন্ত এগতেই দেখা যায় আয়ুশির বাবা বিজয় শর্মার মৃত্যুও কুয়াশায় ঢাকা। আয়ুশির মামার এক মন্তব্য থেকেই সন্দেহ ঘনাতে থাকে। তিনি দাবি করেছেন, বিজয় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সেই সময় চিকিৎসা শুরু হলে ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠতে থাকেন তিনি। আর এটাই নাকি সহ্য হয়নি আয়ুশির। খুড়তুতো ভাই বলরামের সঙ্গে মিলে বিজয়কে অন্যত্র নিয়ে যান তিনি। দাবি করেন, বাবার জন্য ভালো চিকিৎসকের সন্ধান পেয়েছেন। পরবর্তী তিন মাস বিজয় কোথায় ছিলেন কেউ জানে না। আচমকাই আয়ুশি জানান, বাবাকে জয়পুরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আত্মীয়রা সেখানে বিজয়কে দেখতে গেলে জানতে পারেন, তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত! এরপর বাড়িতে ফেরানো হয় বিজয়কে। সেখানেই মারা যান তিনি। বিজয়ের মৃত্যুর পরই নাকি আয়ুশি দাবি করেন, বাবার চাকরিটা পাওয়ার জন্য আবেদন করছেন তিনি। কিন্তু বাদ সাধেন নীরজ। এরপরই তাঁর সঙ্গে সংঘাত চরমে ওঠে আয়ুশির। দাবি, একবার তর্ক-বিতর্কের সময় আয়ুশি তাঁর মাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, বাবাকে যেমন খাবার খাওয়ানোর নল খুলে দিয়ে খুন করা সম্ভব হয়েছিল, তাঁকে হত্যা করাটা তার চেয়েও সহজ হবে। এই সব তথ্য হাতে পেয়ে থ পুলিশ। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement