shono
Advertisement

কাশ্মীরের বারামুলায় তুমুল গুলির লড়াই, পাকিস্তানি জইশ কমান্ডার-সহ খতম ২ জঙ্গি

বাকি জঙ্গিদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
Posted: 08:44 PM Dec 24, 2020Updated: 08:47 PM Dec 24, 2020

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তুমুল গুলির লড়াইয়ের জেরে খতম হল পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করা জইশ-ই-মহম্মদের (Jaish-e-Mohammad) একজন কমান্ডার-সহ ২ জঙ্গি। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায়।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিশেষ সূত্রে খবর আসে বারামুলা (Baramulla)’র ওয়ানিগাম পেইন গ্রামে কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। এরপরই গোটা গ্রাম ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন ভারতীয় সেনার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের কর্মীরা। বিকেলের দিকে তাঁরা যখন প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিলেন তখন আচমকা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেন ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ঘটনাস্থল থেকে দুই জঙ্গির মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

[আরও পড়ুন: কেন্দ্র ও রাজ্যের চাপের ফল! ত্রিপুরা থেকে অপহৃত ৩ শ্রমিককে মুক্তি দিল জঙ্গিরা]

সূত্রের খবর, নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হওয়া জঙ্গিদের মধ্যে একজন হল পাকিস্তানের বাসিন্দা আবরার ওরফে লাঙ্গু। সে বারামুলা এলাকায় কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের একজন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছিল। আর তার সঙ্গে খতম হয়েছে কাশ্মীরের সোপোরের বাসিন্দা আমির সিরাজ। গত ২৪ জন থেকে নিখোঁজ হওয়া আমির একজন ফুটবলার ছিল বলে জানা গিয়েছে। যদিও পুলিশের তরফে মৃতদের পরিচয়ের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলা হয়নি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বছর নিরাপত্তারক্ষীরা ভূস্বর্গে ৩১ জন পাকিস্তানি-সহ ২০০ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছেন। এর জন্য ৯০টিরও বেশি অভিযান চালাতে হয়েছে তাঁদের। ২০১৯ সালে খতম হওয়া জঙ্গিদের সংখ্যাটা ১৫৭ থাকলেও ২০১৮ সালে এই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৫৭ জনকে খতম করা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ, কাঁটাতার পেরিয়ে ত্রিপুরা হয়ে অসম ঢুকতেই গ্রেপ্তার ১৩]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement