Advertisement
অভাবে বেড়ে উঠে গরিবের 'মসিহা'! ছুটে গিয়েছেন বন্যাবিধ্বস্ত অসমেও, কে এই হুসেন মনসুরি?
হুসেনের পথে হেঁটে বর্তমানে অনেকেই অভাবী মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
পথের ধারে বসে একাকী বৃদ্ধা। ছেঁড়া-নোংরা পোশাক। কোনও ক্রমে হয়তো জুটিয়েছেন পচা ভাত। আচমকা এক ব্যক্তি এসে সেই ভাত তুলে নিজে চেখে দেখলেন! সোশাল মিডিয়ায় এই দৃশ্য কমবেশি সকলেই চেনেন। তারপর ওই ব্যক্তি কীভাবে অভাবের সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান, তাও সকলেরই জানা। কিন্তু জানেন কে এই হুসেন মনসুরি? চলুন চিনে নেওয়া যাক।
মুম্বইয়ের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান হুসেন। ছোটবেলা থেকেই অভাবকে সঙ্গী করে বেড়ে ওঠা। একটা বয়সের পর কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। অল্পতেই যে সফলতা পেয়েছেন তেমনটা একেবারেই নয়। তবে বরাবর তিনি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে সমাজসেবী হিসেবে দেশের মানুষ একডাকে চেনে হুসেন মনসুরিকে।
ঠিক কীভাবে কাজ করেন তিনি? দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বহু মানুষ রয়েছেন, যাদের ঠিকানা রাস্তা। কেউ দয়া করে দু-মুঠো খাবার দিলে জোটে, না দিলে অভুক্তই কাটে দিন। সেই সকল মানুষদের কাছে ছুটে যান হুসেন। যার যা প্রয়োজন, তাঁর হাতে তা তুলে দেন। কেউ পান খাবার, কেউ অর্থ, কেউ আবার পোশাক। কারও আবার আজীবনের দায়িত্ব নিয়েছেন হুসেন। গোটা বিষয়টাই ভিডিও করে পোস্ট করেন তিনি।
বর্তমানে ভিডিও মানেই অর্থ। কিন্তু এই ভিডিও থেকে পাওয়া টাকা কিন্তু একেবারেই হুসেন নিজের কাজে ব্যবহার করেন না। ভিডিও থেকে তাঁর যা উপার্জন তাঁর পুরোটাই তিনি সমাজসেবার কাজেই ব্যবহার করেন। বন্যা বিধ্বস্ত অসমবাসীরও ত্রাতা সেই হুসেনই। এক হাঁটু কাদা পেরিয়ে কাঁধে করে কারও বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে খাট, কারও বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন খাবার-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস।
আসলে হুসেন অভাব দেখে বড় হয়েছেন। তাই অন্যের কষ্টে কাঁদে তাঁর মন। তাই বরাবরই অসহায়দের পাশে থেকেছেন তিনি। নেটিজেনদের কাছে দারুণভাবে প্রশংসিত ও আলোচিত হয়েছেন হুসেন। তাঁর ইনস্টাগ্রামে মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার। তাঁর মানবিক কাজগুলো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
তবে শুধু একা হুসেন মনসুরি নন। তাঁর পথে হেঁটে বর্তমানে অনেকেই অভাবী মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কেউ গোটা পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছেন। কেউ দায়িত্ব নিচ্ছেন অসহায়-অনাথ শিশুদের পড়াশোনার। অসমেও ত্রাণ পাঠিয়েছেন বহু মানুষ। উদ্দেশ্য একটাই, এই বিপদ কাটিয়ে সকলে যেন ফের ফিরতে পারে স্বাভাবিক জীবনে।
ওই রাতেই কমলের অস্ত্রোপচার হয়। গলা থেকে গুলি বের করা হয়। তিনি সুস্থ হয়ে যান। তবে মা, বোন এবং বাবার মৃত্যুর মতো কঠিন বাস্তবকে মেনে নিতে হয় তাঁকে। ঠিক কী কারণে এই কাণ্ড ঘটল, তা স্পষ্ট নয়। কেউ বলেন, মদ্যপানের ফলে অশান্তিতে এই কাণ্ড। কেউ কেউ দাবি করেন, কমলের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে বোন নম্রতার সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক অশান্তি চলছিল।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:04 PM Aug 10, 2026Updated: 09:04 PM Aug 10, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
