সাম্প্রতিক অতীতে আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল বা আইএমএফ পাকিস্তানকে যে পরিমাণ ঋণ দিয়েছে, তার থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের বরাদ্দ বেশি। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ইসলামাবাদকে তোপ দাগল ভারত। একইসঙ্গে পাকিস্তান এবং অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) তোলা বিভিন্ন অভিযোগও খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত জানিয়েছে, কোনও কিছু যাচাই না করেই ওআইসি ইসলামাবাদের পক্ষ নিচ্ছে।
রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং বলেন, “গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে উদ্বোধন করা বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতু - চন্দ্রভাগা রেল সেতু যদি ভুয়া হয়, তাহলে পাকিস্তান নিশ্চয়ই স্বপ্নে বাঁচছে। চন্দ্রভাগা সেতু নিয়ে পাকিস্তানের সব অভিযোগ আমরা খারিজ করছি। এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণার নেপথ্যে ঈর্ষার গন্ধ রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “কাশ্মীর ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং সর্বদা থাকবে। ১৯৪৭ সালে আইন মেনেই এই অঞ্চলটি ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ভারতীয় স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনেই গোটা বিষয়টি হয়েছিল। কাশ্মীরের একমাত্র অমীমাংসিত বিরোধ হল পাকিস্তান কর্তৃক ভারতীয় ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” এরপরই অনুপমা বলেন, "সাম্প্রতিক অতীতে আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল বা আইএমএফ পাকিস্তানকে যে পরিমাণ ঋণ দিয়েছে, তার থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের বরাদ্দ বেশি।"
উল্লেখ্য, ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও ফের সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানকে ঋণ দিয়েছে আইএমএফ। নয়া কিস্তিতে পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে ১.২ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় যা ১০ হাজার কোটি টাকা। আইএমএফের দাবি, পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারকে শক্তিশালী করতে ও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এই অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অতীতের মতো এই অর্থের বড় অংশ সন্ত্রাসবাদকে মদত জোগাতে ব্যবহার করবে পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফের সরকার।
