তিনি ট্র্যাভেল ইনফ্লুয়েন্সার। নানা ধরনের টিপসই দেন নেটিজেনদের। গত নভেম্বরে জানিয়েছিলেন, হোটেলের কফি মেশিনেই কেচে নেওয়া যেতে পারে প্যান্টি! যা নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছে। এমনকী কোনও এক হোটেল নাকি মামলা করেছে তাঁর বিরুদ্ধে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যেই মুখ খুললেন সেই মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার তারা উডকক।
একটি নতুন ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, ''আমি নিজে কখনও এমনটা করে দেখিনি। কিন্তু ব্যাপারটা খুবই মজার।'' কিন্তু তিনি 'মজার' মনে করলেও বহু নেটিজেনই এতে বিরক্ত। তাঁরা বলছেন, এরপর থেকে কোনও হোটেলে কফি মেকার পেলেও তা ব্যবহার করার আগে দশবার ভাববেন তাঁরা। এই ধরনের অভ্যাস যে স্বাস্থ্যের হানি ঘটাতে পারে, সেকথা জানিয়ে অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
কিন্তু তারা জানিয়েছেন, তিনি নিজে এমন করেননি। কেবল একজনের কাছে শোনা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন। আর সেটা করার উদ্দেশ্যই ছিল, এমন পদ্ধতি যাতে কেউ না অনুসরণ করে সেটাই বোঝানো। তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে বলে দাবি ওই ইনফ্লুয়েন্সারের।
তারা উডকককে ওই ভিডিওয় বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি এক বন্ধুর থেকে এমন কথা শুনে 'ওয়াক' তুলেছিলেন। এবং সেই থেকেই কফি মেকার বা মেশিন থেকে তিনি দূরে থেকেছেন হোটেলে গেলে। সেই সঙ্গেই তিনি মজা করে স্বীকার করেছেন যে, তিনি আসলে প্রকাশ করতে চাননি যে বিষয়টা বাস্তব ছিল না। আর সেই কারণেই দর্শকরা এটাকে বাস্তব ভেবেই বেশ মজা পাচ্ছেন!
গত নভেম্বরে তারার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। এর মধ্যেই শোনা যায় কোনও এক হোটেল নাকি ১০ লক্ষ ডলারের মামলা করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে পরিষ্কার হয়ে যায়, এটা পুরোটাই গুজব। এমন ধরনের কোনও মামলাই হয়নি। কোনও হোটেলের তরফে এমন হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
