shono
Advertisement
Jharkhand

বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় বাধা, মাকে খুনের পর ডিপ ফ্রিজে দেহ রাখল কিশোরী!

অভিযোগ, সে প্রায়ই ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে তার প্রেমিক আরবাজকে দিত। বিষয়টি জানতে পেরে পারভিন মেয়ের জন্য ব্যাঙ্কের অ্যাকসেস বন্ধ করে দেন। এরপর থেকেই মা-মেয়ের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে।
Published By: Jaba SenPosted: 10:35 AM Apr 30, 2026Updated: 03:08 PM Apr 30, 2026

৪৫ লক্ষ টাকা ও একটি চাকরির জন্য প্রেমিকের সঙ্গে মিলে মাকে খুন করল কিশোরী। ঝাড়খণ্ডের রাঁচির এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরী, তাঁর প্রেমিক-সহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরে টাকাপয়সা নিয়ে মায়ের সঙ্গে অশান্তি হচ্ছিল। খুনের পর ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল দেবে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নহিদা পারভিন। তাঁর বাড়ি রাঁচির মানিটোলায়। চার বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি তাঁর ১৭ বছরের মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। এই কিশোরী নহিদার দত্তক সন্তান। তাঁর স্বামী বিদ্যুৎ দপ্তরে চাকরি করতেন। সেখান থেকে ৪৫ লক্ষ টাকা ও একটি চাকরি পেয়েছিলেন নহিদা। এই টাকার কথা জানত কিশোরী। অভিযোগ, সে প্রায়ই ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে তার প্রেমিক আরবাজকে দিত। বিষয়টি জানতে পেরে পারভিন মেয়ের জন্য ব্যাঙ্কের অ্যাকসেস বন্ধ করে দেন। এরপর থেকেই মা-মেয়ের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। মা'কে সরিয়ে দেওয়া গেলে সব টাকাপয়সা, সম্পত্তি সে-ই পাবে বলে ভেবেছিল মেয়ে। এমনকী চাকরিটাও তাকে দেওয়া হবে। এই ভেবেই প্রেমিকের সঙ্গে মিলে মাকে খুনের পরিকল্পনা শুরু করে কিশোরী।

তদন্তে জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল রাতে যখন পারভিন ঘুমোচ্ছিলেন তখন বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে খুন করা হয়। এই কাজে ওই কিশোরী ও তার প্রেমিক তাদের ৩ বন্ধুর সাহায্য নেয়। খুনের জন্য তাদের ১২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় একজন বালিশ চাপা দেয়, অন্যরা হাত-পা চেপে ধরে। পাশাপাশি নহিদার গলাতেও আঘাত করা হয়। অতিরিক্ত রক্তপাত ও শ্বাসরোধ হয়ে একটা সময় তাঁর মৃত্য়ু হয়। খুনের পর দেহটি একটি ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। পরের দিন সকালে ওই কিশোরী আত্মীয়দের ফোন করে জানায়, তার মা বাথরুমে পড়ে মারা গিয়েছেন। তড়িঘড়ি নহিদার শেষকৃত্যও সম্পন্ন করা হয়।

তবে মৃতার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আত্মীয়দের মধ্যে কয়েকজনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। পরে পারভিনের দেওর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজেন্দ্র ইন্সটিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসে পাঠায়। এরপরই পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরী, তাঁর প্রেমিক-সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্তরা অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement