কংগ্রেস নেতা পবন খেরার আগাম জামিনের আবেদনে রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগের ভিত্তিতে এই নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী। গুয়াহাটি হাই কোর্টে আগাম জামিনের আর্জি খারিজ হতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।
খেরার পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এদিন যুক্তি দেন, তাঁর মক্কেলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। তিনি গ্রেপ্তারের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। অভিষেক প্রশ্ন রাখেন, “হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপমান করার প্রয়োজনীয়তা কী?” সেই সঙ্গেই তিনি দাবি করেন, পবন খেরা একজন পাবলিক ফিগার। দেশ ছেড়ে পালানোর কোনও সম্ভাবনা নেই। এবং তিনি তদন্তে সব রকমের সহায়তা করতে রাজি।
খেরার পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এদিন যুক্তি দেন, তাঁর মক্কেলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। তিনি গ্রেপ্তারের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় এফআইআরের বিরুদ্ধে তেলেঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন পবন (Pawan Khera)। গত ১০ এপ্রিল তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের ট্রানজিট জামিন মঞ্জুর করে তেলেঙ্গানার উচ্চ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অসম সরকার। সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেস নেতার আবেদন খারিজ করে দেয়। এমনকী তেলেঙ্গানা হাই কোর্টের আবেদনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে। এরপরই সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেছেন পবন। আদালতে তাঁর আর্জি, গ্রেপ্তারি এড়াতে তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করুক শীর্ষ আদালত।
উল্লেখ্য, মামলার সূত্রপাত পবন খেরার প্রকাশ্যে এক অভিযোগ ঘিরে। তিনি দাবি করেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার স্ত্রী রিনিকি ভুঁইয়ার একাধিক বিদেশি পাসপোর্ট ও বিদেশে সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দেন রিনিকি এবং হিমন্ত নিজেও। সেই মন্তব্যের পরই রিনিকি মানহানির মামলা করেন। দায়ের হয় এফআইআর।
