সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রামে বাইরের কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া স্ব-শাসনের অধিকারও দিতে হবে। এই দাবিতেই তির, বল্লম নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ঝাড়খণ্ডের খুন্তি জেলার কানকি সিলাডন গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার আদিবাসী। আটকে রাখলেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক এবং অন্তত ২০০ জন সিআরপিএফ জওয়ানদের। বৃহস্পতিবার রাত থেকে আটকে রাখা হয় ওই আধিকারিকদের। শেষপর্যন্ত শুক্রবার সকালে হিংসার বদলে আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত বিষয় মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন সরকারি আধিকারিকরা। আর তার জেরেই বিক্ষোভ তুলে নেয় আদিবাসীরা।
[ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম]
কিন্তু কেন এই বিক্ষোভ? জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ স্থানীয় আদিবাসীরা। ঝাড়খণ্ডের রঘুবার দাসের নেতৃত্বাধীন সরকার সিএনটি এবং এসপিটি নামে দু’টি আইনে কিছু পরিবর্তন এনেছিল। কিন্তু তাঁদের জমি সরকার কেড়ে নেবে এই আশঙ্কায় আদিবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। সেই বিক্ষোভই বৃহস্পতিবার চরম আকার ধারণ করে। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় বাইরের কেউ প্রবেশ করতে পারবে না, তাঁদের স্বশাসনের অধিকার দেওয়া হবে বলে দাবি করেন আদিবাসীরা।
[লাদাখে প্রস্তুতি ভারতের, বেজায় ক্ষুব্ধ চিন]
ঠিক কী হয়েছিল এদিন? জানা গিয়েছে, গ্রামের প্রবেশ পথে ব্যারিকেড করে আটকে দিয়েছে গ্রামবাসীরা। এই খবরটি জানতে পেরেই ওই এলাকায় যান পুলিশ আধিকারিকরা। খুলে ফেলে দেওয়া ব্যারিকেড, পোস্টার। কিন্তু দেখা যায়, এরপরই গোটা এলাকাটি ঘিরে ফেলে আরও আদিবাসী। পুলিশ এবং আধাসেনার থেকে অনেক বেশি সংখ্যায় উপস্থিত হন তাঁরা। ব্যারিকেড দিয়ে ফের গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে আদিবাসীরা। বন্ধ করে দেওয়া হয় গ্রামের প্রবেশপথ। আটকে রাখা হয় পুলিশ সুপার এবং আধাসেনাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় আশ্বাস দেওয়ার পরই শেষপর্যন্ত আটক আধিকারিকদের মুক্তি দেওয়া হয়।
The post স্বশাসনের দাবিতে ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীদের হাতে আটক পুলিশ সুপার-আধাসেনা appeared first on Sangbad Pratidin.
