shono
Advertisement
Uttar Pradesh

২১ হাজারি ফোনের প্রথম ইএমআই দিতে ব্যর্থ, ব্লাড ব্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে যুবকের রক্ত বেচল দোকান মালিক!

১২ মাসের কিস্তিতে ২৭৯৯ টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল যুবকের।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 01:59 PM Sep 15, 2026Updated: 02:22 PM Sep 15, 2026

কিস্তি অর্থাৎ ইএমআই ব্যবস্থা চালু হওয়ায় এখন দামি জিনিসও মধ্যবিত্তের নাগালে। একবারে টাকা দেওয়া সম্ভব না হলেও মাসিক কিস্তিতে কমবেশি সকলেই শখের জিনিস কিনে ফেলেন। কেউ আবার নিতান্তই বাধ্য হয়ে ইএমআই করান। কিন্তু তার পরিণতি যে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। ফোনের ইএমআই দিতে না পারায় যুবককে জোর করে ব্লাড ব্যাঙ্কে তুলে নিয়ে গিয়ে রক্ত বেচার অভিযোগ দোকান মালিকের বিরুদ্ধে।   

Advertisement

জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা নাভাল নামে ওই যুবক। ইএমআইয়ে স্যামসাংয়ের একটি ফোন কিনেছিলেন তিনি। যার দাম ২১ হাজার পাঁচশো টাকা। জিরো ডাউন পেমেন্ট ছিল, অর্থাৎ ফোনটি কেনার সময় কোনও টাকা দিতে হয়নি যুবককে। ১২ মাসের কিস্তিতে ২৭৯৯ টাকা করে দেওয়ার কথা। যুবকের পরিবারের দাবি, আর্থিক সমস্যার কারণে প্রথম মাসের কিস্তিই দিতে পারেনি। এরপরই দোকানের কর্মীরা এসে যুবকের কাছ থেকে ফোনটি নিয়ে যায়। তবে এখানেই সমস্যা মেটেনি। জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ফের দোকানের লোকেরা যুবকের বাড়িতে যান। জোর করে তাঁকে তুলে নিয়ে যান।

নাভালের অভিযোগ, তাঁকে সোজা একটি ব্লাড ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়। এক ইউনিট রক্ত নিয়ে নেওয়া হয়। অর্থাৎ তাঁর রক্ত বেচে দেওয়া হয়। এরপরও যুবককে ছাড়া হয়নি। তাঁকে একটি বদ্ধ ঘরে আটকে রাখা হয়। এরপর অভিযুক্তরা নাভালের বড় ভাই রাজকুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলে অভিযোগ। মোবাইলের কিস্তির ২,৭৯৯ টাকা অনলাইনে পাঠাতে বলে তাঁরা। পরিবার নাভালকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে তারা আরও ১২,০০০ টাকা দাবি করে। এরপরই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশও সহযোগিতা করেনি বলেই অভিযোগ। বরং তাঁদের পালটা ভয় দেখানো হয়। পরবর্তীতে নাভালের মা একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দ্বারস্থ হতেই ছেলে ফেরে ঘরে। অভিযুক্তদের খোঁজ তদন্তে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement