স্বামীর মৃত্যুর পর, তাঁর বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক। দীর্ঘদিন লিভ-ইনে থাকার পর বিয়ের জন্য জোর দিতে থাকেন যুবতী। তাতেই প্রেমিকাকে খুন করে কাটা মুণ্ডু নির্জন স্থানে ফেলে দেয় যুবক। হাতের ট্যাটু ও অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন দেখে দেহ শনাক্ত করে পরিবার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রেমিককে।
হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বুলন্দশহরে। বেশ কিছুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বাবলি। দিন কয়েক আগে নির্জন উত্তরপ্রদেশের নরসেনা গ্রামে মুণ্ডহীন পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতার পরিচয় জানতে দেহের কিছু শনাক্তকরণ চিহ্ন তুলে ধরে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তদন্তকারীরা। তা নজরে পড়ে বাবলির মা, মেয়ে ও দেওরের। দেহের বিভিন্ন চিহ্ন সেটি বাবলির দেহ বলে শনাক্ত করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বাবলি স্বামী অজয় ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। মারণরোগই প্রাণ কাড়ে তাঁর। প্রয়াত স্বামীর বন্ধু বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বাবলি। এরপরই বিকাশের সঙ্গে লিভ-ইনে ছিলেন যুবতী। এরমধ্যে গত ডিসেম্বর মাসে বিকাশের বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। সেই কথা জানতে পারেন বাবলি। তারপরই বিকাশকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন বাবলি।
প্রাথমিক অনুমান, বিয়ের চাপ নিতে না পেরে বাবলিকে খুনের ছক কষে বিকাশ। অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকাশ, যুবতী দেখা করার নামে নির্জন জায়গায় ডাকে। এরপরই বিকাশ তাঁর ভাই ও হবু শ্যালকের সাহায্যে বাবলিকে খুন করে। আরও অভিযোগ, কেউ যাতে চিনতে না পারেন, তাই ধড় থেকে মুণ্ডু আলাদা করে দেয়। পুলিশ বিকাশ ও তার শ্যালক আমনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যজন এখনও পলাতক। ধৃতদের থেক দুটি বন্দুক ও একটি মটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
