সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসিন হওয়ার পর থেকে কড়া হাতে গো-হত্যা রুখতে পদক্ষেপ নিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ৷ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত বেআইনি কসাইখানা৷ সুতরাং গো-হত্যা মানেই যে বিপদ, তা ভালভাবেই বুঝে গিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারা৷ আর সেই কারণেই দাদরির রজ্জাক কলোনির এক মুসলিম পরিবার তাদের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মোষের মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷
[সোশ্যাল সাইটে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় লিখে সার্চ করলেই দেখা যাচ্ছে পর্নগ্রাফি!]
পাত্রীর পরিবারের এক সদস্য জানান, “বিয়েতে আমাদের বাড়ির পোষা মোষের মাংসের একটি পদ বানানোর কথা প্রথমে ভাবা হয়েছিল৷ গুলিস্তানের বিয়েতে ৩০০ জনকে আপ্যায়ন করা হয়েছে৷ যার জন্য সরকারের অনুমতি চেয়েছিলাম৷ কিন্তু রবি ও সোমবার ছুটি থাকায় সরকারি আধিকারিকের তরফে কোনও উত্তর মেলেনি৷ তাই গাজিপুর বাজার থেকে ১৫০ কেজি মুরগির মাংস কেনা হয়৷”
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বিসাদায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গো-হত্যার অভিযোগ উঠেছিল৷ সেই এলাকা থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরেই রজ্জাক কলোনি৷ সেই কারণে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রশাসনের অনুমতি নিতে চেয়েছিলেন ওই মুসলিম পরিবার৷ পাত্রীর বাবা বলেন, “পুলিশকে বিষয়টি বলা হলে তাঁরা অনুমতি দিয়েছিলেন৷ বলেছিলেন, পারিবারিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে মোষের মাংস খাওয়ানো যেতেই পারে৷ তা সত্ত্বেও আমরা প্রশাসনের সম্মতি চেয়েছিলাম৷ কিন্তু ছুটি থাকায় উত্তর মেলেনি৷ কারও আবেগে আঘাত দিতে চাইনি৷ বিষয়টা নিয়ে কোনও ইস্যুও বানাতে চাইনি৷ তাই মুরগির মাংস খাওয়ানোরই ব্যবস্থা করে নিয়েছিলাম৷ তাছাড়া মোষের মাংসের থেকে মুরগির মাংসের দামও কম৷”
[‘আজান শুনতে দারুণ লাগে’, প্রিয়াঙ্কার ভিডিওয় সোনুকে জবাব নেটিজেনদের]
খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিক মহেন্দ্র শ্রীবস্তব বলেন, “এ সব ক্ষেত্রে অনুমতি পেতে বেশ কয়েকদিন সময় লেগে যায়৷ তবে মুসলিম পরিবারটির বিয়ের অনুষ্ঠান হিসেবে আমাদের তরফে সম্মতি দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু ওঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলেন৷” সব মিলিয়ে উত্তরপ্রদেশে যোগীর রাজত্বে যে সকলেই সতর্ক, ফের তারই দৃষ্টান্ত মিলল৷
The post প্রশাসনের অনুমতি নেই, বিয়েতে মুরগির মাংস খাওয়ালো মুসলিম পরিবার appeared first on Sangbad Pratidin.
