shono
Advertisement

Breaking News

Karnataka Cabinet

কর্নাটকের কোন্দল লুকোতে পারল না কংগ্রেস! শিবকুমারের শপথের ৩ দিনের মধ্যে পদত্যাগ মন্ত্রীর

কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব মরিয়া চেষ্টা করেছিল প্রমাণ করতে যে কর্নাটকে ক্ষমতার হাতবদল হচ্ছে একেবারে মসৃণভাবে। কিন্তু সেই চেষ্টা বিশেষ কাজে এল না।
Published By: Subhajit MandalPosted: 10:29 AM Jun 05, 2026Updated: 04:22 PM Jun 05, 2026

কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব মরিয়া চেষ্টা করেছিল প্রমাণ করতে যে কর্নাটকে (Karnataka) ক্ষমতার হাতবদল হচ্ছে একেবারে মসৃণভাবে। কিন্তু সেই চেষ্টা বিশেষ কাজে এল না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ডিকে শিবকুমার শপথ নেওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া রামালিঙ্গা রেড্ডি। যা নতুন মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারের জন্য বিরাট ধাক্কা হিসাবে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

রামালিঙ্গা রেড্ডির দীর্ঘদিনের দাবি তাঁকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব দিতে হবে। সিদ্দারামাইয়া মন্ত্রিসভায় ওই দপ্তরটি ছিল খোদ শিবকুমারের হাতে। আসকে কর্নাটকে অর্থ দপ্তর এবং পুলিশ দপ্তরের পর ওই বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরটিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ওই দপ্তরের আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও প্রচুর। রামালিঙ্গা রেড্ডি দলের সিনিয়র নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই দপ্তরের দাবিতে অনড় ছিলেন। তাঁর দাবি শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে ওই দপ্তরটি তাঁকে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে দেখা যায় বেঙ্গালুরু উন্নয়নের বদলে তিনি পেলেন সেচ দপ্তর।

প্রকাশ্য ক্যামেরায় নিজের ইস্তফাপত্র সই করে রামালিঙ্গা সাফ বলে দিয়েছেন, "আমার কারও উপর কোনও রাগ নেই। আমি হতাশ। ডিকে আমাকে একদিন আগেও ওই দপ্তর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাই আমি অন্য কোনও দপ্তরে কাজ করতে পারব না। সাধারণ বিধায়ক হিসাবে কাজ করব।" রেড্ডি অভিমানী সুরে বলছেন, "আমি সিদ্দারামাইয়া বা শিবকুমার কারও উপরই ক্ষুব্ধ নই।"

রামালিঙ্গা রেড্ডি ৮ বারের বিধায়ক। রাজ্যের প্রভাবশালী নেতা। অতীতে পুলিশ দপ্তরও সামলেছেন তিনি। এ হেন সিনিয়র নেতার ক্ষোভ কংগ্রেসের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। বিশেষ করে ২০২৮ সালে নির্বাচনের ঠিক আগে রেড্ডির ক্ষোভ, গোটা রেড্ডি সম্প্রদায়কে কংগ্রেসের বিপক্ষে পাঠিয়ে দিতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement