সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণধর্ষণের পর চলন্ত ট্রেন থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া। প্রচণ্ড রক্তপাতের ধাক্কায় মৃত্যু মুখে আরও এক নির্ভয়া। বিহারের কিউল স্টেশনে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করা হয়। নিজের বন্ধুদের লালসার শিকারের পর প্রশাসনের থেকেও অবজ্ঞা জুটেছিল। রক্তক্ষরণ হয়ে গেলেও দীর্ঘক্ষণ নির্যাতিতাকে বেড দেওয়া হয়নি। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিচিতরা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
[ মসজিদ থেকে বের হতেই মুসলিমদের পিষল গাড়ি, ছড়াল আতঙ্ক]
নির্ভয়ার ঘটনার পর নারী সুরক্ষায় দেশে আইন আরও কঠোর হয়েছে। তবুও বর্বরতার ছেদ পড়েনি। এবার লজ্জা বিহারে। শনিবার লখিসরাই জেলার লালচকে ৬ পরিচিতর হাতে গণধর্ষিতা হল এক নাবালিকা। যারা প্রত্যেকেই নাবালক। কুকর্মের পর ১৪ বছরের মেয়েটিকে জোর করে ট্রেনে তোলা হয়। লালসা মিটিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে নাবালিকাকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার ছক ছিল। কিন্তু কোনওরকমে বেঁচে যায় নির্যাতিতা। কিউল স্টেশনের কাছ থেকে রেলকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে নির্যাতিতাকে নিয়ে যাওয়া হয় লখিসরাই সদর হাসপাতালে। সেখানে ২৪টি সেলাইয়ের পরও রক্তপাত আটকানো যায়নি। বিপদ বুঝে তাকে পাটনা মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। কিন্তু সেখানেও চূড়ান্ত অব্যবস্থা। ওই অবস্থায় প্রায় ১৪ ঘণ্টা তাকে মেঝেতে ফেলা রাখা হয় বলে অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সরব হওয়ায় পর নির্যাতিতার চিকিৎসা শুরু হয়। শনিবার গভীর রাতে তাকে বেড দেওয়া হলেও, চিকিৎসার জন্য ঘুষ চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে ধর্ষকরা প্রত্যেকেই নির্যাতিতার পূর্ব পরিচিত। অভিযুক্তদের একজন ক্লাস নাইনের ছাত্র। বাকিরা তারা ক্লাসফ্রেন্ড। পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে কয়েকজনের নাম জানিয়েছে ওই নাবালিকা। পুলিশ আপাতত তিনজনকে জালে তুলেছে, বাকিদের খোঁজ চলছে।
[হারের জের: অশ্বিনদের পোস্টারে আগুন, নেটদুনিয়ায় বিরাটের হাতে কমোড]
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের রামপুরে কয়েকজন নাবালক প্রকাশ্যে এক নাবালিকার শ্লীলতাহানি করে। লজ্জা দূরের কথা, সেই ভিডিও তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। নারীর সম্ভ্রম নিয়ে নাবালকদের মধ্যে এই অপরাধ প্রবণতা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমাজবিজ্ঞানীদের।
The post বন্ধুদের হাতেই চলন্ত ট্রেনে গণধর্ষণের শিকার, ছুড়ে ফেলা হল নাবালিকাকে appeared first on Sangbad Pratidin.
