shono
Advertisement
delimitation bill

তৃণমূলের ভাঙনে মোদির স্বপ্নপূরণ! ২৯-এর আগেই আসন পুনর্বিন্যাস কার্যকরে আসরে কেন্দ্র

মাত্র মাসদেড়েক আগেই ধাক্কা লেগেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলে অক্সিজেন পেয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তাই নতুন করে ফের আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে সক্রিয় হচ্ছ কেন্দ্র।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 05:39 PM Jun 04, 2026Updated: 05:39 PM Jun 04, 2026

মাত্র মাসদেড়েক আগেই ধাক্কা লেগেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলে অক্সিজেন পেয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তাই নতুন করে ফের আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে সক্রিয় হচ্ছ কেন্দ্র, এমনটাই সূত্রের খবর। মোদি সরকার চাইছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগেই আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাশ করিয়ে তা কার্যকর করে ফেলা হোক। উল্লেখ্য, গতবার এই বিলের তুমুল বিরোধিতা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু এবার অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে ঘাসফুল শিবির। সেই সুযোগে ফায়দা তুলতে পরিকল্পনা করছে বিজেপি।

Advertisement

সূত্রের খবর, একাধিক রাজ্যের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। সেই দলগুলির মতামত এবং সমর্থন নিয়েই বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র। আপাতত মোদি সরকার চাইছে, গতবার এই বিলের সঙ্গে যেভাবে রাজনৈতিক মতবিরোধ জড়িয়ে গিয়েছিল সেটা যেন পুরোপুরি এড়ানো যায়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে প্রত্যেক দলই কেন্দ্রের সঙ্গে সুরে সুর মিলিয়ে আসন পুনর্বিন্যাস চাইছে-এমন একটি ছবি তৈরির চেষ্টা চলছে বলেই সূত্রের খবর। আপাতত সেই কাজে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে কেন্দ্র।

জানা গিয়েছে, আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে তৃণমূল এবং ডিএমকে'কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই আলোচনায়। মাসখানেক আগে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে দুই দলই। তামিলনাড়ুতে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে ডিএমকে'র সঙ্গে কংগ্রেসের জোট ভেঙেছে। সুপারস্টার থলপতি বিজয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন রাহুল গান্ধীরা। তাতে ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন ধরার সম্ভাবনা প্রবল। অন্যদিকে, বাংলায় তৃণমূল মুখ থুবড়ে পড়ার পর দলের বিধায়করা কার্যত দলত্যাগ করেছেন। ঘাসফুল সাংসদরাও অনেকে দল ছাড়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বলে খবর। অর্থাৎ এই দুই দলের একটা বড় অংশ আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পাশে থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসে মহিলা সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাস বিল একসঙ্গে পেশ করে কেন্দ্র। সংসদে ভোটাভুটি চলাকালীন বিলটির পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে পড়ে ২৩০ টি। বিল পাশে প্রয়োজন ছিল ৩৫৩ টি ভোট। যা পায়নি সরকার পক্ষ। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রের মুখ পোড়ে। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয় সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে মোদি সরকার। সাফল্য নিশ্চিত হলেই বিল পেশ হতে পারে, এবং সেটা অত্যন্ত দ্রুত-এমনটাই সূত্রের খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement