সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১০ টাকা, ২০ টাকা, ১০০ টাকার মতো নোট দেখতে অভ্যস্ত সকলেই। মোদি সরকার আসার পর চালু হয়েছে ২০০ টাকা ২০০০ টাকার মতো নোট। সমস্ত নোটের নকশাও পালটে গিয়েছে। এসবের মাঝে নাকি একবার ১১ টাকা এবং ২১ টাকার নোট চালু করার প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্র। কারণটা বড়ই অদ্ভুত। শেষপর্যন্ত অবশ্য আর এই নোট চালু করা যায়নি। রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পর প্রস্তাবটি খারিজ হয়েছে। এমনটাই দাবি করছে একটি ইংরেজি নিউজ পোর্টাল।
[১০০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দিয়েছেন সোনিয়া-রাহুল, দাবি আয়কর দপ্তরের]
ভারতীয় সংস্কৃতিতে একটি অলিখিত নিয়ম আছে। কোনও ধর্ম কর্মে, বা কাউকে উপহার দিতে গেলে জোড় সংখ্যার টাকা দিতে হয় না। সেকারণেই, অনেক সময় দেখা যায় পুজোর চাঁদা বা বিয়েবাড়ির উপহার হিসেবে ১০১ টাকা বা ১০০১ টাকা দেওয়া হয়। এই প্রথার কথা মাথায় রেখে ১১ টাকা এবং ২১ টাকার নোট চালু করার প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্র। এই নিয়ে নোট বাতিলের আগে রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনাও হয় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এমনটাই দাবি করেছে। যদিও, শেষ পর্যন্ত এই নোট চালু না করার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে নোট বাতিলকেই। ওই সংবাদমাধ্যমটির দাবি, এই ১১ এবং ২১ টাকার নোট চালুর প্রস্তাব নিয়ে যখন আলোচনা চলছিল, তখনই নোটবাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মোদি। যার পরে আর এই প্রস্তাবটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
[দেশের শিক্ষাব্যবস্থার এ কী হাল! প্রায় ৯২ হাজার স্কুল চলছে মাত্র একজন শিক্ষকের ভরসায়]
নাগরিকদের চাহিদা, বাজারের পরিস্থিতি এসব আন্দাজ করে নোটের মান নির্ণয় করে কেন্দ্র। কত টাকা মূল্যের নোট কী পরিমাণে ছাপা হবে সবই ঠিক হয় কেন্দ্র এবং রিজার্ভ ব্যাংকের আলোচনায়। রিজার্ভ ব্যাংকের এক আধিকারিকের কথায়, নোট বাতিলের আগে ব্যাংকের কাছে অনেকগুলি প্রস্তাবই এসেছিল কেন্দ্রের তরফে। সেগুলি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু সব প্রস্তাব বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি।”
