মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে জন্ম হল পাঁচ চিতা শাবকের। সোমবার জ্বালা নাম্নী চিতা ওই শাবকগুলির জন্ম দিয়েছে। এর ফলে সেখানে চিতার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৩। শাবকের জন্ম ঘিরে উৎসবের আমেজ কুনোয়। মধ্যপ্রদেশের পরিবেশমন্ত্রী ভুপিন্দর যাদব এক্স হ্যান্ডলে এই সুখবর দিয়েছেন।
তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, 'চিতা প্রকল্পের জন্য গর্বের মুহূর্ত, জ্বালা নাম্নী নামিবিয়া থেকে আনা চিতা তৃতীয় বার মা হয়েছে। এবার কুনো জাতীয় উদ্যানে সে জন্ম দিয়েছে পাঁচ শাবকের। এর ফলে এখানে শাবকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩।' ২০১৯ সালে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফেরে মোদি সরকার। আর এরপরই সূচনা ‘প্রোজেক্ট চিতা’র। ২০২২ সালে নামিবিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মোট ১০টি চিতা আনা হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে। পরবর্তী সময়ে নানা দেশ থেকে মোট ২০টি চিতাকে ভারতে আনা হয়েছিল। তখন থেকেই পরিবেশবিদদের নজর ছিল এদিকে। বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন পরিবেশে মাত্র ৪০ শতাংশ চিতাই বাঁচতে পারে। সেই হিসেবে চিতার নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে ভারত এগিয়ে। এটাই ‘প্রোজেক্ট চিতা’র বড় সাফল্য। এর সঙ্গেই শাবকজন্ম ঘিরে সংখ্যায় আরও বাড়ছে চিতারা। যা আশাপ্রদ।
তবে বিভিন্ন কারণে বেশ কয়েকটি চিতার মৃত্যুও হয়েছে গত কয়েক বছরে। গোটা ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে বন দপ্তর। শুধু তাই নয়, একের পর এক চিতা মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখেও পড়ে মোদির স্বপ্নের এই প্রকল্প। গত ডিসেম্বরেও এক চিতার মৃত্যু হয়েছিল। বয়স ছিল ১০ মাস। জঙ্গলে ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে যায় অঘটন।
