তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেললে রেহাই মিলবে না। নিট প্রশ্ন ফাঁসে আরও কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, শুক্রবারই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে ঘোষণা করা হবে।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি জানি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি কোনও সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয় নয়। এটি লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও কষ্টদায়ক। তাই, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর গত আড়াই মাসে বেশ কিছু আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এখন কারাগারে রয়েছে।"
সেই সঙ্গেই এদিনের ভিডিও বার্তায় মোদি উল্লেখ করেন, ''শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ যাতে নষ্ট না হয় সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আর তাই অবিলম্বে পরীক্ষা আয়োজন করা ছিল খুবই জরুরি ব্যাপার।'' স্বল্পতম সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে, একথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯ তারিখে ফলাফলও প্রকাশিত হয়েছে। সারা দেশ থেকে সফল শিক্ষার্থীদের আনন্দের খবর ভেসে এলেও কেন্দ্র যে এতেই সন্তুষ্ট থাকতে চায় না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি জানি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি কোনও সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয় নয়। এটি লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও কষ্টদায়ক। তাই, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর গত আড়াই মাসে বেশ কিছু আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এখন কারাগারে রয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আজই ফাস্ট ট্র্যাক আদালত সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। আর তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে গভীর রাতেই তাঁর কাছে এই সংক্রান্ত খসড়া জমাও পড়ে গিয়েছে। ফাস্ট ট্র্যাক আদালত ও কঠোর শাস্তির বিধান সংবলিত এই খসড়াটি আগামীকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের মতামত ও পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করার পর এটি চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার থেকে সংসদ অধিবেশনের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হচ্ছে। সেই সময় যথাসম্ভব দ্রুত এই বিলটি সংসদে পাস করানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবার কথাও বলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন “ছাত্রদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে কিছুই নয়। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করবে না সরকার। দেশের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করাটাই আমাদের লক্ষ্য।” সব প্রশ্নফাঁসের দোষীদের দ্রুত শাস্তি দেওয়ার জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরি হবে বলেও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর দিনের শেষে গভীর রাতে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে দেখা গেল তাঁকে।
এদিকে শুক্রবার দুপুর ১২টার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধি দলের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এমনটাই জানা যাচ্ছে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে। জানা গিয়েছে, এই আলোচনায় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
