shono
Advertisement
Nepal flash flood

হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!

মানস সরোবরের পথে আটকে রয়েছেন শতাধিক কৈলাসযাত্রী। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু বাড়ি-ঘর, সেতু, যানবাহন। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 11:50 PM Aug 26, 2026Updated: 11:50 PM Aug 26, 2026

মানস সরোবরের পথে আটকে রয়েছেন শতাধিক কৈলাসযাত্রী। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু বাড়ি-ঘর, সেতু, যানবাহন। গ্রামের পর গ্রাম চলে জলের নিচে। এহেন পরিস্থিতিতে সদগুরু জানালেন, তাঁর সংস্থা থেকে ৭৭ জন পুণ্যার্থী কৈলাসে গিয়েছিলেন। তাঁরা সকলেই নিখোঁজ। সদগুরু আরও জানিয়েছেন, তাঁর সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরাও প্রয়োজনে উদ্ধারকাজে শামিল হতে পারেন। তাঁরা সর্বতোভাবে প্রস্তুত।

Advertisement

নেপাল পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এঁদের মধ্যেই সদগুরুর ঈশা ফাউন্ডেশনের পুণ্যার্থীরা রয়েছেন কিনা জানা নেই। তবে ভয়াবহ বন্যার খবর পাওয়ামাত্র তিনি সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন। জানিয়েছেন, কৈলাস সফর শেষ করে ফিরছিলেন ৭৭ পুণ্যার্থী। অভিবাসন অফিসে থাকাকালীন বান নামে।

উদ্বিগ্ন সদগুরুর কথায়, অভিবাসন অফিসে যাঁরা ছিলেন তাঁদের কী অবস্থা কেউই বলতে পারছে না। তবে এখন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সদগুরুর সংস্থা। তাঁর ঘোষণা, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী এবং অন্যান্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগাতে প্রস্তুত। প্রশাসনিক অনুমতি পেলেই কাজে নেমে পড়বেন বলেও জানিয়েছেন সদগুরু। উল্লেখ্য, ঈশা ফাউন্ডেশনের ৭৪৩ জন পুণ্যার্থী এখনও তিব্বতে রয়েছেন। নেপালেও রয়েছেন ১৪৮ জন। কিন্তু অভিবাসন দপ্তরে থাকা ৭৭ জনেরই খোঁজ নেই।

উল্লেখ্য, এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় ওই হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। ভোটেকোশী নদীর জলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিন সীমান্তবর্তী তিমুর ও স্যাফ্রুবেসি এলাকা। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement