সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাদের মদতে উপত্যকায় অশান্তি। পিছনে থেকে কারা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে নিয়মিত অর্থ সাহায্য করে যাচ্ছে। যার জেরে সেনার দিকে মুড়ি মুড়কির মতো ধেয়ে আসছে পাথর। এর উত্তর সরাসরি না মিললেও, এই অভিযোগে এনআইএর জালে সাত বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা। দুটি রাজ্যে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে হুরিয়ত নেতা সইদ গিলানির জামাইও। ধৃতদের থেকে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বিদেশি মুদ্রা।
[আজান বিতর্কে অভিনেত্রী সুচিত্রার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন মুসলিম নেতার]
সীমান্তে সন্ত্রাস। উপত্যকায় নাশকতা। দেশের উত্তর প্রান্তই এখন বড় মাথাব্যাথা। অনেক ওষুধ প্রয়োগ হলেও, পরিস্থিতি আয়ত্তে আসেনি। মুখে শান্তির বুলি আওরানো হুরিয়ত নেতাদের একাংশ যে জঙ্গিদের তলে তলে মদত দিচ্ছে এই অভিযোগ নতুন নয়। এবার মিলেছে বেশ কিছু প্রমাণ। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেওয়ার অভিযোগে সোমবার সাত বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। এনআইএ-র অভিযোগ, পাকিস্তানের আর্থিক সাহায্যে সন্ত্রাসবাদীর কার্যকলাপে ভূমিকা নিয়েছে ওই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। যে অর্থে উপত্যকায় নিয়মিত পাথর ছোড়া হয়। ধৃতরা হুরিয়তের প্রথম সারির নেতা। যাদের মধ্যে রয়েছে হুরিয়ত চেয়ারম্যান সইদ আলি শাহ গিলানির জামাই আলতাফ শাহ, বিট্টা কারাটে, সাসপেন্ড হওয়া হুরিয়ত নেতা নইম খান এবং হুরিয়তের মুখপাত্র আয়াজ আকবর। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। সম্প্রতি হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরের সাতটি জায়গায় হানা দেয় এনআইএ। অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বিদেশি মুদ্রা। তদন্তকারীদের অনুমান, বিদেশি অর্থ এবং বিচ্ছিন্নতবাদী সংগঠনগুলির প্রত্যক্ষ মদতে সীমান্তের এপারে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।
[‘স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করব না’, অভিনব প্রতিবাদে প্রেসিডেন্সির ছাত্রীরা]
এনআইএর বক্তব্য, কাশ্মীরের উরি এবং জম্মুর চাকান-দা-বাদ থেকে পণ্য চলাচল করে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের একাংশ লভ্যাংশ জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে দেয়। এই অর্থে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির এমন বাড়বাড়ন্ত। এদিকে ছত্তিসগড়ের বিজাপুরে গ্রেপ্তার হয়েছে দুই মাওবাদী। ধৃতরা বিস্ফোরণের ঝক কষেছিল। তাদের থেকে পুলিশ ব্যাটারি ও তার উদ্ধার করেছে।
The post সন্ত্রাসীদের অর্থ সাহায্যের অভিযোগ, NIA-এর জালে ৭ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা appeared first on Sangbad Pratidin.
