হাওড়ায় কিশোরীর মর্মান্তিক পরিণতি। ভর সন্ধ্যায় প্রকাশ্য রাস্তায় কিশোরীকে কোপায় এক যুবক। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। কয়েকঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও বেঁচে ফিরল না দশম শ্রেণির ছাত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, ঝগড়া হতে হতেই পকেট থেকে ছুরি বের করে মেয়েটিকে কোপাতে থাকে যুবক। বিষয়টি দেখেই স্থানীয় বাসিন্দারা ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। চলে বেধড়ক মারধর। গুরুতর আহত ওই কিশোরী ও অভিযুক্ত যুবক, ২ জনকেই ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর।
বুধবার ভরসন্ধেয় আন্দুলের খটির বাজার চাঁদনিবাগান এলাকায় হাড়হিম ঘটনা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ডোমজুড় থানা ও হাওড়া সিটি পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রেমঘটিত কারণেই এই আক্রমণ। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ছুরি দিয়ে কোপায় সমীর দাস নামে ওই যুবক। প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ওই যুবক নাবালিকাকে কোনওভাবে জোর জবরদস্তি করছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সন্ধেয় রাস্তায় দেখা হতেই ওই নাবালিকা ও ওই যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হতে হতেই যুবক পকেট থেকে ছুরি বের করে নাবালিকাকে কোপাতে থাকে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে চোখের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা যুবককে ধরে ফেলেন। যুবককে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় যুবককে ডোমজুড় গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, নাবালিকার বাড়ি আন্দুলের দক্ষিণ মহিয়াড়ি চাঁদনিবাগান এলাকায়। অন্যদিকে বছর ২৭-এর সমীরের বাড়ি বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে। সে হাওড়ার জালান কমপ্লেক্স এলাকায় কাজ করে। সেই সূত্রেই ওই নাবালিকার সঙ্গে তার আলাপ বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।
