shono
Advertisement
Ram Temple

রাম মন্দিরের ট্রাস্ট পুনর্গঠনের দাবি, এবার অনুদান চুরির ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে নির্মোহী আখড়া!

নির্মোহী আখড়ার সাফ কথা, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় স্পষ্ট ট্রাস্ট নিজের কাজে ব্যর্থ হয়েছে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 09:38 PM Jul 19, 2026Updated: 09:38 PM Jul 19, 2026

অযোধ্যা রাম মন্দিরে প্রণামী চুরি-কাণ্ডে ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে বিজেপির। এবার ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট' পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল নির্মোহী আখড়া। সংগঠনের তরফে মামলা করেছেন মহন্ত রাজা রামচন্দ্রাচার্য অতীত গুরু রঘুনাথ দাস। ট্রাস্টের গঠন কাঠামো এবং কার্যপ্রণালী নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

Advertisement

নির্মোহী আখড়া অভিযোগ করেছে, ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর কাঠামো এবং কাজের ধরন প্রাইভেট ট্রাস্টের মতো। ট্রাস্টের কর্মপদ্ধতি সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন রঘুনাথ দাস। সুপ্রিম কোর্টের কাছে তিনি একাধিক বিষয়ে নির্দেশিকার দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, ‘পাবলিক ট্রাস্ট’ হিসেবে ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর পুনর্গঠন, ট্রাস্টে রামানন্দী বৈরাগী সম্প্রদায়ের সাধু-সন্তদের তদারকির অধিকার এবং ট্রাস্টের সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও গাইডলাইন চাওয়া হয়েছে। নির্মোহী আখড়ার সাফ কথা, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় স্পষ্ট ট্রাস্ট নিজের কাজে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে রবিবারই রাম মন্দিরে প্রণামী চুরির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। গোটা ঘটনায় নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিশ্বাস ও ভক্তির সঙ্গে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দান করেছিলেন। কিন্তু আজ তারা এই চুরির ঘটনায় প্রতারিত হয়েছেন। কিন্তু এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ গোটা ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং ট্রাস্টের নথিপত্রও জনসমক্ষে প্রকাশ করারও আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল এবং খাড়গে। ট্রাস্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সংসদে এটি গঠনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার সদস্যদের নিয়োগ করেছিল। ট্রাস্টের সদস্যদের আরএসএস, ভিএইচপি-র মতো সংগঠনগুলিরর সঙ্গে যোগ রয়েছে। ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ।”

উল্লেখ্য, অযোধ্যার রাম মন্দিরে তিন হাজার কোটি টাকার চুরিতে প্রশ্নের মুখে শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্যরা। এই পরিস্থিতিতে বিতর্ক সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। দ্রুত গঠিত হয়েছে সিট। তবে তারা এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি। সূত্রের খবর, ট্রাস্টের প্রাক্তন প্রধান চম্পত রাইকে ওই রিপোর্টে সেভাবে দোষী হিসাবে ধরা হয়নি। তবে অনেক বেশি কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মন্দিরের নির্মাণের দায়িত্বে থাকা অনিল মিশ্রকে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement