shono
Advertisement

চিনা হামলা ঠেকাতে উত্তর-পূর্বে নেই ‘আকাশ’মিসাইল, ক্যাগের রিপোর্টে শোরগোল

এক-তৃতীয়াংশ মিসাইল লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ। The post চিনা হামলা ঠেকাতে উত্তর-পূর্বে নেই ‘আকাশ’ মিসাইল, ক্যাগের রিপোর্টে শোরগোল appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 09:19 AM Jul 29, 2017Updated: 03:58 AM Jul 29, 2017

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনাবাহিনীতে গোলাবারুদের ঘাটতির রিপোর্ট দিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগ। এবার দেশের নিরাপত্তায় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ফের ক্যাগ রিপোর্টে উঠে এল আরেক বিস্ফোরক তথ্য। আগ্রাসী চিনের  হামলা ঠেকাতে অরুণাচল প্রদেশ-সহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে নেই কোনও ‘আকাশ মিসাইল শিল্ড’। উদ্বেগ প্রকাশ করে সংসদে এমনই রিপোর্ট পেশ করল ক্যাগ।

Advertisement

রিপোর্টে বলা হয়েছে লালফৌজের আক্রমণ রুখতে ২০১০ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে ‘আকাশ মিসাইল’ মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দেশের নিরাপত্তাকে চূড়ান্ত অবহেলা করে ওই এলাগুলিতে এপর্যন্ত মোতায়েন হয়নি কোনও ক্ষেপণাস্ত্র। উল্লেখ্য, ক্যাগ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছ’টি বিশেষ জায়গায় প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার আকাশ মিসাইল মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই কাজ করা হয়নি। এমনকী মিসাইল ব্যবস্থা মোতায়েন করতে যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন সেই কাজও তেমন কিছু চোখে পড়েনি।

[ভারতীয় নৌবাহিনীকে পরমাণু অস্ত্রে মুড়ে দিক আমেরিকা, পরামর্শ প্রেসলারের]

ভূমি থেকে শূন্যে হামলা চালাতে সক্ষম আকাশ মিসাইল ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যে কোনও জঙ্গিবিমান, হেলিকপ্টার ধ্বংস করতে সক্ষম। তাই চিনকে নজরে রেখে অরুণাচলে ওই মিসাইল মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে ডোকলাম সীমান্ত নিয়ে চরম উত্তপ্ত ভারত-চিন সম্পর্ক। অস্ত্র হাতে মুখোমুখি দু’দেশের কয়েক হাজার সেনা।রয়েছে যে কোনও মুহূর্তে যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে ক্যাগ রিপোর্টে চিন্তার ভাঁজ কেন্দ্রের কপালে। শুধু তাই নয়, আকাশ মিসাইলের  গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সেখানে বলা হয়েছে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে এক-তৃতীয়াংশ মিসাইল লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে। যার দরুন প্রশ্নের মুখে পড়েছে সেনার যুদ্ধ প্রস্তুতি।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সেনাবাহিনীতে গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করেছিল ক্যাগ।সেখানে বলা হয়েছিল, ২০১৩-র পর থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ গোলাবারুদের গুণগত মানের কোনও উন্নতিই হয়নি। সেনাবাহিনীতে মজুত থাকা ৫৫ শতাংশ গোলাবারুদের ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় জোগান খুবই কম রয়েছে। আর যে ৪০ শতাংশ অস্ত্রশস্ত্র মজুত রয়েছে, তা দিয়ে যুদ্ধ বাধলে মেরেকেটে ১০ দিন পর্যন্ত লড়াই করা সম্ভব। এছাড়া কামান এবং ট্যাঙ্কের জন্য যে পরিমাণ গোলাগুলি প্রয়োজন, তাও সংখ্যায় খুবই কম রয়েছে। এছাড়া চারটির মধ্যে দু’টি যুদ্ধজাহাজে প্রয়োজনীয় অস্ত্র মজুত না থাকায় দোষারোপ করা হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীকেও। সমালোচিত হয়েছে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডও। ২০১৩-র মার্চ থেকে তাদের দেওয়া অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া ওই বছরই ফ্যাক্টরি বোর্ডকে ২০১৯ পর্যন্ত রোডম্যাপের কথা জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি তারা। এজন্যও ওই বোর্ডকে তুলোধোনা করা হয়েছিল রিপোর্টে।

[ভারতকে নয়া ‘মিগ-৩৫’ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে আগ্রহী রাশিয়া]

The post চিনা হামলা ঠেকাতে উত্তর-পূর্বে নেই ‘আকাশ’ মিসাইল, ক্যাগের রিপোর্টে শোরগোল appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement