নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শাসক-বিরোধী বাদানুবাদের মধ্যে মুলতুবি হয়ে গেল শুক্রবারের লোকসভা অধিবেশন। এদিনও সরকার বারবার নিট কাণ্ড নিয়ে আলোচনার করতে চাইলেও কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা শিক্ষমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় থাকেন। ইস্তফার আগে অবধি আলোচনা হবে না বলেও জানিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এই অবস্থায় মুলতুবি হল অধিবেশন।
চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে তিনটি শর্ত দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদ থেকে অপসারণ না করা পর্যন্ত বিরোধী দল সংসদে কোনও আলোচনায় অংশ নেবে না। সংসদের বাইরে সংবাদিকদের রাহুল বলেন, শিক্ষার্থীদের তিনটি দাবি বা শর্ত রয়েছে--- অবিলম্বে‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমা প্রার্থনা।
এদিনের অধিবেশনের শুরু থেকেই ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা 'শিক্ষমন্ত্রীর পদত্যাগ', 'ইস্তফা', 'ইস্তফা' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিরোধী সংসদ সদস্যদের অনুরোধ করেন, অধিবেশনের কার্যক্রম চালাতে দিন। যদিও সেকথায় কান দেননি কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলের নেতারা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু দাবি করেন, নিট ইস্যুতে আলোচনা না হলে দেশবাসীর কাছে ভুল বার্তা যাবে। এই কথার পরেও রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী নেতারা দাবি করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দিলে কোনও আলোচনা হবে না। এরপরেই দুপুর বারোটা নাগাদ শুক্রবারের মতো মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন।
