সোশাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর, জাল কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে বিজেপি-ঘেঁষা বলে পরিচিত বুদ্ধিজীবী মধু কিশওয়ারের বিরুদ্ধে এফআইআর। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৩৬ (১), ৩৫৬ ধারা ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের নানা ধারায় অভিযুক্ত হয়েছেন মধু। হরিয়ানার এক বাসিন্দা তাঁর নামে অভিযোগ জানিয়েছেন।
বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্ম, জাতপাত, ভাষার ভিত্তিতে নানা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি, জালিয়াতি, ফৌজদারি মানহানির মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে মধুর নামে। চণ্ডীগড় পুলিশ সরকারিভাবে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় নানা জনে অশালীন ভাষা, কনটেন্ট, ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করেছেন। ভিডিওয় এক ব্যক্তির ভুল পরিচয় দেওয়া হচ্ছে। তিনি সাংবিধানিক ক্ষমতার অধিকারী। তাঁর সুনাম নষ্ট করার জন্য মিথ্যা কন্টেন্ট-সহ ভিডিও দেওয়া হচ্ছে। এর তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু মধু নয়, আরও একাধিক ইউজারের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের হয়েছে।
এদিকে মধু জানিয়েছেন, চণ্ডীগড় পুলিশের টিম সোমবার রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করে এফআইআর সংক্রান্ত নোটিস ধরাতে আসে। কিন্তু আইনে সূর্যাস্তের পর থেকে ভোরের আগে মহিলাদের নোটিস দেওয়া বা গ্রেপ্তারে নিষেধ আছে, তাই তিনি ফোনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। মধু জানিয়েছেন, তিনি তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
মধুর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর। সম্প্রতি তিনি সোশাল মিডিয়ায় দাবি করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোন কোন সাংসদকে স্রেফ ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে মন্ত্রী করেছেন, তাদের নাম হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকদের মুখে মুখে ঘরে। এমনকী হরদীপ সিং পুরী, এস জয়শংকররা যখন মন্ত্রী হলেন, তখনও অনেকের মুখেই শোনা গিয়েছিল যে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ‘স্পেশ্যাল সার্ভিসে’র ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’ এছাড়া আরও একাধিক অভিযোগ করেছেন তিনি। এবার তাতেই বিপাকে কিশওয়ার।
