shono
Advertisement

Breaking News

S-400

পাকিস্তানের 'যম' সুদর্শন! 'এস-৪০০র সন্ধানে ভারতে গুপ্তচর নামান মুনির', দাবি প্রাক্তন এয়ার মার্শালের

জিতেন্দ্র মিশ্র জানান, "যুদ্ধ চলাকালীন ভারতের কোথায় কোথায় এস-৪০০ রয়েছে তা মরিয়া হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছিল পাকিস্তান। ভিনদেশ থেকে স্যাটেলাইটের সাহায্য নিচ্ছিল তারা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:05 PM Aug 27, 2026Updated: 08:22 PM Aug 27, 2026

অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন কার্যত একা হাতে পাকিস্তানের ঘুম ছুটিয়েছিল 'সুদর্শন' বা 'এস-৪০০'। এরই আতঙ্কে ভারত সীমান্তের ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ঢোকার সাহস পায়নি শত্রুর যুদ্ধবিমান। এই অবস্থায় সুদর্শনের ঠিকানা খুঁজতে উঠেপড়ে লাগে আসিম মুনিরের বাহিনী। এমনকী ভারতে গুপ্তচর ও স্লিপার সেলগুলিকে সক্রিয় করা হয়। এমনটাই জানিয়েছেন, সর্বোত্তম যুদ্ধ সেবা মেডেল প্রাপ্ত প্রাক্তন এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা এআনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিতেন্দ্র মিশ্র জানান, "যুদ্ধ চলাকালীন ভারতের কোথায় কোথায় এস-৪০০ রয়েছে তা মরিয়া হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছিল পাকিস্তান। ভিনদেশ থেকে স্যাটেলাইটের সাহায্য নিচ্ছিল তারা। এমনকি ভারতের ভেতরে থাকা গুপ্তচর ও স্লিপার সেলকেও সক্রিয় করে দিয়েছিল। অর্থাৎ সুদর্শনের খোঁজ পেতে পাকিস্তানের তরফে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি।" এতকিছুর পরও অবশ্য বিশেষ লাভ হয়নি। প্রাক্তন মার্শালের কথায়, "ওরা যখনই আকাশে উঠছিল, এস-৪০০ এর হাতে মার খাচ্ছিল।"

প্রাক্তন মার্শালের কথায়, "ওরা যখনই আকাশে উঠছিল, এস-৪০০ এর হাতে মার খাচ্ছিল।"

কীভাবে এই যুদ্ধে পাকিস্তানের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হয় তারও বিবরণ দেন মিশ্র। বলেন, অভিযানের শুরুতেই বায়ুসেনা পাকিস্তানের সমস্ত গ্রাউন্ড রাডার গুঁড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে ছিল আমেরিকার দেওয়া AN/TPS সিরিজের রাডারও। এর পাশাপাশি দুটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করা হয়। এই অবস্থায় আকাশে নজরদারির জন্য পাকিস্তানের একমাত্র ভরসা ছিল 'আওয়াক্স' (AWACS)। এটি এক বিশেষ বিমান, যার মাথার ওপরে থাকে বিশাল রাডার। সরগোদা থেকে 'আওয়াক্স' ওড়ানো হলে সুদর্শনের অপারেটর গুলি করার অনুমতি চান। মিশ্র বলেন, "আমি তৎক্ষণাৎ হামলা চালানোর অনুমতি দিই। ৩১৪ কিলোমিটার দূরে থাকা সেই বিমান ধ্বংস করা হয়। সামরিক ইতিহাসে মাটি থেকে আকাশে সবচেয়ে দূরের সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এটাই।

উল্লেখ্য, পহেলগাঁওতে ২৬ জন পর্যটক হত্যার বদলা নিতে ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারত। এরপর পাকিস্তান পাল্টা হামলা করলে শুরু হয় যুদ্ধ। মিশ্র বলেন, "এই যুদ্ধে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, সাধারণ নাগরিকের যেন কোনও ক্ষতি না হয়। শুধু জঙ্গি ও তাদের মদতদাতাদের শাস্তি দিতে হবে।" তবে যুদ্ধ লড়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা সেনার হাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ১০ মে নূর খান, ভোলারি-সহ ১১টি পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পর হুঁশ ফেরে পাকিস্তানে। ভারতের কাছে যুদ্ধবিরতি চায় তারা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement