shono
Advertisement

Breaking News

Jaish Terrorist

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে নাশকতার ছক বানচাল! জম্মু-কাশ্মীরে নিকেশ জইশ জঙ্গি

দিন দশেক আগেই বিল্লাওয়ারে জঙ্গিদের গোপন আস্তানার খোঁজ পেয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। তার পর থেকেই নানা জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়।
Published By: Saurav NandiPosted: 07:19 PM Jan 23, 2026Updated: 07:48 PM Jan 23, 2026

জম্মু-কাশ্মীরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিহত জইশ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ারে জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়েছিল। তাতেই নিহত হয়েছে ওই পাক জঙ্গি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসে জঙ্গি নাশকতার সম্ভাবনা রয়েছে।  এই সংক্রান্ত কিছু তথ্য পেয়েছে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। ঘটনাচক্রে, তারপরেই উপত্যকায় তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার হয় এবং তাতেই নিহত হল জইশ জঙ্গি। 

Advertisement

দিন দশেক আগেই বিল্লাওয়ারে জঙ্গিদের গোপন আস্তানার খোঁজ পেয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। তার পর থেকেই নানা জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। সেনা জানিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত খবরের ভিত্তিতেই শুক্রবারের অভিযান চালানো হয়েছিল। এক জঙ্গির আত্মগোপন করে থাকার খবর পাওয়া মাত্রই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। তাই অভিযান চলাকালীন আর পালানোর পথ খুঁজে পায়নি ওই পাক জঙ্গি।

একই ভাবে কিশ্তওয়ারের পাহাড়ি জঙ্গলেও সেনা অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ের যে এলাকায় জঙ্গিরা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই অঞ্চলটি গভীর জঙ্গলে ঢাকা। ওই এলাকায় পাহাড়ের ঢালও যথেষ্ট খাড়া। সেখানে সইফুল্লা এবং আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। তার পর থেকেই শুরু হয় অভিযান। দিন চারেক আগে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান নিহতও হন কিশ্তওয়ারে।

জওয়ানের মৃত্যুর পর কিশ্তওয়ারে সেনা অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। তল্লাশি অভিযানে জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরার হদিসও পেয়েছে সেনা। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার বানানো হয়েছে যে, কারও পক্ষে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। শুধু তা-ই নয়, বাঙ্কারটিকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছিল যাতে, উল্টো দিক থেকে হামলা হলে, তা সহজেই আটকে দিতে পারবে।

সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ের ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় বাঙ্কারটির হদিস মেলে। সেই গোপন ডেরা থেকে ৫০ প্যাকেট ম্যাগি, প্রচুর কাঁচা সব্জি, চাল, রান্নার যাবতীয় সরঞ্জাম, শুকনো কাঠ উদ্ধার হয়েছে। যে পরিমাণ জিনিস উদ্ধার হয়েছে, তা দেখে সেনাবাহিনীর সন্দেহ, অনেক দিন ধরেই ওই ডেরায় লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। শুধু তা-ই নয়, ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া রসদ এটাও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, কয়েক মাসের খাবার মজুত করা হয়েছিল ওই বাঙ্কারে। তবে স্থানীয়দের কারও সহযোগিতা ছাড়া এই জায়গায় বাঙ্কার বানানো এবং খাবার মজুত করা সম্ভব ছিল না বলেই মনে করা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement