ইরান যুদ্ধ নিয়ে ফের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। যুদ্ধে জড়ানো সব পক্ষকে সংযমী হওয়ার বার্তা দিল দিল্লি। মঙ্গলবার সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "ইরান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের শুরু থেকেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তখনই সমস্ত পক্ষকে সংযম প্রদর্শন, উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়ানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তায় অগ্রাধিকারের আহ্বান জানানো হয়েছে।" আরও বলা হয়েছে, "পবিত্র রমজান মাসে এই অঞ্চলের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে।"
ভারতের বক্তব্য, লড়াই ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতেও ছড়িয়ে পড়েছে সংঘর্ষ। ফলে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনযাপন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা চায় ভারত। বর্তমান পরিস্থিতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলেও বর্ণনা করেছে দিল্লি।
উল্লেখ্য, সোমবার এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় দিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রক্রিয়ায় আগ্রহী। দ্বন্দ্বের চেয়ে শান্তির শক্তি বেশি।” পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর লাগাতার পালটা হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর জেরে কেবল ইরান ও ইজরায়েল নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় যুদ্ধ নিয়ে মোদির বক্তব্য, “বর্তমান বিশ্বের একাধিক উত্তেজনার বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা সর্বদা শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছি। যখন দু’টি গণতন্ত্র জোটবদ্ধ হয়, তখন শান্তির শক্তি আরও জোরালো হয়।” পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ঘটনাবলীকে গভীর উদ্বেগের বিষয় বলেছেন মোদি। জোর দিয়ে বলেন, ভারত আলোচনা এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব বিরোধিতার সমাধানকে সমর্থন করে।
