shono
Advertisement
Parliament Monsoon Session

শেষদিনও 'নিষ্ফলা' লোকসভা, বন্দে মাতরমের সুরে মুলতুবি অধিবেশন! মোদিকে নিয়ে বিতর্কিত স্লোগান বিরোধীদের

প্রত্যাশা থাকলেও লোকসভায় হল না শাহী বিবৃতি। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী শিবির সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রায় গোটাটাই পণ্ড করার চেষ্টা করে গেল।
Published By: Subhajit MandalPosted: 11:47 AM Aug 13, 2026Updated: 01:15 PM Aug 13, 2026

কার্যত নিষ্ফলা ভাবেই শেষ হয়ে গেল সংসদের বাদল অধিবেশন (Parliament Monsoon Session)। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ অধিবেশনের শেষদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর নির্যাতন নিয়ে বিবৃতি দেবেন, ওই ইস্যুতে আলোচনা হবে, এমন প্রত্যাশা থাকলেও কার্যক্ষেত্রে তেমন কিছুই হল না। এদিন সংসদে শাহ এলেও বিরোধীরা তাঁকে কোনওরকম বিবৃতি দেওয়ার সুযোগই দেয়নি। বিক্ষোভের জেরে কার্যত শুরুতেই অধিবেশন মুলতুবি করে দিতে হয়।

Advertisement

রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী শিবির সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রায় গোটাটাই পণ্ড করার চেষ্টা করে গেল। নিত্যদিন সকালে সংসদে আসা, বিভিন্ন ইস্যু তুলে হট্টগোল করা এবং অধিবেশন মূলতুবি করতে বাধ্য করা। এই ছিল বিরোধীদের রুটিন। যার জেরে গোটা বাদল অধিবেশনে সেভাবে কোনও বিল নিয়ে আলোচনাই হয়নি। বৃহস্পতিবারও সেই একই রুটিন মেনে অধিবেশন শুরুতেই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান বিরোধীরা। তবে এদিন সংসদে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সামনেই বিক্ষোভ শুরু হয়।

স্পিকার ওম বিড়লা শুরুতেই বুঝতে পারেন, আজও আলোচনা সম্ভব নয়। তাই আসার সঙ্গে সঙ্গে তিনি জাতীয় গান অর্থাৎ বন্দে মাতরম বাজানোর নির্দেশ দেন। এতদিন পর্যন্ত অধিবেশনের সমাপ্তির দিন বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবকের সুর বাজানো হত। এই প্রথম পুরো গানটি বাজানো হল। ওই গানের সঙ্গে সঙ্গেই অনির্দিষ্টকালের জন্য অধিবেশন স্থগিত হয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে বাদল অধিবেশনে ৮০ শতাংশের বেশি কাজের সময় অধিবেশন মূলতুবিই থেকে গিয়েছে। সরকার সব মিলিয়ে ১৯টি বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে অতি সামান্য সময়ে।

প্রত্যাশা ছিল অধিবেশনের শেষদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর নির্যাতন নিয়ে বিবৃতি দেবেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হল না। উলটে সংসদের বাইরে বিরোধী শিবিরের কয়েকজন সাংসদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে রীতিমতো বিতর্কিত স্লোগান দিলেন। যা নিয়ে বিতর্ক হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির কয়েকজন সাংসদকে বলতে শোনা যায়, '৫৬ ইঞ্চ কে ছোটা বান্দর, জলদি আও সংসদ কে আন্দর।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement