প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানকে ইদ ও নওরোজের শুভেচ্ছা জানালেন। সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে উৎসবের মরশুমে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। এইসঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজে দিয়ে যাতে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলির গতিবিধি স্বাভাবিক থাকে, সেই বিষয়ে কথা বলেন ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মাসুদের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি জানান মোদি। তিনি লিখেছেন, "প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁকে ইদ ও নওরোজের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমরা আশা প্রকাশ করেছি যে, এই উৎসবের মরসুম পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।" পাশাপাশি "দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উপর হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকির এবং বৈশ্বিক (তেল) সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করছে।"
যুদ্ধের মধ্যে ইরানে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় সাহায্য করেছে সে দেশের প্রশাসন। এর জন্যও তেহরানের প্রশংসা করেছেন মোদি। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধে শুরু হয়েছিল। বিগত ২২ দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। যদিও হরমুজ আটকে পড়ার পর জয়শংকর-সহ একাধিক মন্ত্রী-আমলা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে অনেকবার ফোনে কথা বলেন। এর ফলেই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অনেকগুলি জ্বালানিবাহী জাহাজ ভারতের বিভিন্ন বন্দরে পৌঁছতে পেরেছে। এবং জ্বালানি সংকট সামলানো গিয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার খবর এসেছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী পেরতে চলেছে এলপিজি বোঝাই আরও দুই ভারতের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন এই দাবি করেছে। এর আগে হরমুজ পেরিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে ভারতের মোট তিনটি জাহাজ। এবার বিশ্বের ব্যস্ততম জলপথ পেরতে চলেছে আরও দুই ভারতীয় ট্যাঙ্কার।
