shono
Advertisement

কাজাখস্তান সফরে মোদি, পারদ চড়ছে ইন্দো-পাক যৌথ সেনা মহড়া নিয়ে

ফের নওয়াজের মুখোমুখি হবেন মোদি।
Posted: 12:02 PM Jun 08, 2017Updated: 06:32 AM Jun 08, 2017

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুলিই হোক বা বুলি, দিল্লি আর ইসলামাবাদের দ্বৈরথ চরমে৷ একে অপরের সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে অহরহ ছুড়ে যাচ্ছে বোমা ও মিসাইল৷ রাষ্ট্রসংঘেও চলছে দুই দেশের তরজা৷ তবে অপ্রত্যাশিত ভাবে এবার ভারত ও পাকিস্তানের সৈন্যদের পাশাপাশি মহড়ায় নামতে দেখা যাবে৷ কারণ আর কিছুই নয়, ‘সাংহাই কোঅপারেশনের অর্গানাইজেশন’-এর (এসসিও) সদস্য হতে চলেছে ভারত৷ মূলত চিনের উদ্যোগে গঠিত এই সংস্থায় আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার কাজাখস্তান রওনা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ উল্লেখ্য, এসসিও সামিটে থাকছেন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফও৷

Advertisement

[মধ্যপ্রদেশে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত অন্তত ২০]

বর্তমান এসসিও-র সদস্য হচ্ছে চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান৷ এবার আস্তানায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সংগঠনে যোগ দেবে ভারত ও পাকিস্তান৷ এবং এসসিও-র নিয়ম মেনেই দুই দেশ অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় যোগ দেবে৷ তাই ইচ্ছা বা উৎসাহ কোনওটাই না থাকলেও একপ্রকার বাধ্য হয়েই ভারতকে ওই মহড়ায় অংশগ্রহণ করতে হবে৷ কাজাখস্তান সফরে রওনা হওয়ার আগে একটি ফেসবুক পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে দু’দিনের সফরে এসসিও সামিটে যোগ দিতে কাজাখস্তান যাচ্ছেন তিনি৷ এছাড়াও ওই দেশের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘আস্তানা এক্সপো’য় যোগ দেবেন তিনি৷ যদিও প্রতিপদে ভারতের সামনে দাঁড়িয়ে চিনের প্রাচীর তবুও এদিন এসসিও-র প্রসংশা শোনা গেল মোদির মুখে৷ তিনি জানিয়েছেন, ভারত সদস্য হওয়ার পর বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে দাঁড়াবে এসসিও৷ শুধু তাই নয়, বিশ্বের সার্বিক ‘জিডিপি’র প্রায় ২০ শতাংশ দখল করবে সংস্থাটি৷

উল্লেখ্য, ভারতের পাশাপাশি এসসিও সামিটে থাকছে পাকিস্তান৷ তবে কুলভূষণ যাদব থেকে শুরু করে সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের মতো একাধিক ইস্যু নিয়ে প্রবল চাপানউতোর চলায় মোদি-শরিফ আলোচনার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ৷ তবে কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতি নূর সুলতান নাজারবায়েবের আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত থাকবেন দু’জনেই৷ প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের পর এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিতীয় কাজাখস্তান সফর৷ ওই সফরেই দিল্লি ও আস্তানার মধ্যে গড়ে উঠেছিল সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক৷ এসসিও সামিটে ওই সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এছাড়াও এর দ্বারা মধ্য এশিয়ায় নিজের প্রতিপত্তি বাড়াতে সক্ষম অবে দিল্লি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷ তবে চিন-ভারত সম্পর্কে কতটা মাধুর্য আনতে পারবে এসসিও তা সময়ই বলবে৷

[মারণ রোগকে হারিয়ে এভারেস্টের শিখরে পা যুবকের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার