Advertisement

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের অগ্রগতি কতদূর? খতিয়ে দেখতে সেরাম ইন্সটিটিউটে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

02:14 PM Nov 26, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) তৈরির লড়াইয়ে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত। বিশেষ করে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার ভ্যাকসিন ‘কোভিশিল্ড’ নিয়ে আশাবাদী গোটা দেশ। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রজেনেকার সঙ্গে চুক্তি করে ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)। সেখানে ইতিমধ্যেই এই ভ্যাকসিনের কয়েক কোটি ডোজ তৈরি হয়ে গিয়েছে। এখনও জোরকদমে চলছে কাজ। এবার সরেজমিনে টিকা তৈরির কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, আগামী ২৮ নভেম্বর পুণেতে সেরামের দপ্তরে গিয়ে নিজের চোখে কাজকর্ম খতিয়ে দেখবেন মোদি।

Advertisement

দিন দুই আগেই করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে ভ্যাকসিন কতদিন নাগাদ পাওয়া যাবে তার কোনও নির্দিষ্ট তারিখ জানাতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে রাজ্যগুলিকে ভ্যাকসিন বণ্টনের জন্য সুসংহত পরিকল্পনা সেরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তারপরই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরেজমিনে ভ্যাকসিন তৈরির কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন। অন্তত এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তেমনটাই দাবি। পুণের ডিভিশনাল কমিশনার সৌরভ রাও মোদির এই সফরের কথা জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: বন্দিবস্থায় কীভাবে মোবাইল পেলেন লালু? অডিও ক্লিপ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ ঝাড়খণ্ড প্রশাসনের]

প্রসঙ্গত, অক্সফোর্ড (Oxford) বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি দাবি করেছে, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিনটি ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে। অক্সফোর্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার টিকা (ChAdOx1 nCoV-2019) মানবদেহে ভাইরাসের বিরুদ্ধে গড়ে ৭০.৪ শতাংশ কার্যকরী। ১৩১ জনের উপর তৃতীয় দফা ট্রায়ালের পর এই ফল বেরিয়েছে। প্রাথমিক বা প্রথম ডোজটির পর বুস্টারের স্ট্যান্ডার্ড ডোজ দেওয়া হলে সেটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে ৯০ শতাংশ কাজ করছে।

[আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে ‘লাভ জেহাদ’ রুখতে বাড়ানো হচ্ছে শাস্তির মেয়াদ, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজের]

এদিকে, টিকা নিয়ে গবেষণার মধ্যেও সতর্কতার রাস্তা থেকে সরে আসছে না সরকার। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কেন্দ্র। এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল।

Advertisement
Next